প্রচ্ছদ

প্রতিবাদের ভাষা শেখালেন মুসকান

2022/02/20/_post_thumb-2022_02_20_23_11_37.png

ড. এ কে এম মাকসুদুল হক

ভারত এখন সার্বিক বিবেচনায় বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের পরিবর্তে বৃহত্তম প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রের রূপ লাভ করেছে। গুজরাটের দাঙ্গার সময় সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হবার পর থেকে দেশটিকে ক্রমে ক্রমে একটি ধর্মান্ধ প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্রে পরিণত করে ফেলেছেন। অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে কিছুমাত্র সফল না হলেও তিনি ‘উগ্র হিন্দুত্ববাদী’-ট্রাম্পকার্ড খেলে দ্বিতীয় মেয়াদেও ক্ষমতাসীন হন। ফলে সেই উগ্রবাদী রাজনৈতিক চর্চা ভারতকে গ্রাস করে ফেলছে। দেশটির গণতান্ত্রিক এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের চরিত্রে এখন ফ্যাসিবাদী বৈশিষ্ট্যের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষ করে মুসলমান ও খ্রিষ্টানরা ভারতজুড়ে চরম নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এই ফ্যাসিবাদী চরিত্রেরই প্রতিফলন ঘটেছে কর্নাটকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সম্প্রতি মুসলিম ছাত্রীদের ‘হিজাব’ বিষয়ক বিধিনিষেধের ঘটনায়।

গত ডিসেম্বরে কর্নাটকের উদুপি জেলায় কুন্দপচের সরকারি গার্লস পিইউ কলেজের কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্ম সংক্রান্ত কিছু নির্দেশিকা জারি করে। কর্তৃপক্ষ জানায়, হিজাব বৈষম্য সৃষ্টিকারী। তাই হিজাব পরে ক্লাস করা যাবে না। মুসলমান ছাত্রীরা এর প্রতিবাদ করে। তাদের মতে এতদিন ধরে লেখাপড়ার মাঝে হিজাব কোনো সমস্যা সৃষ্টি করেনি। এটি কোনো প্রতিবন্ধকতাও নয়। কাজেই হঠাৎ করেই হিজাব নিয়ে বিধিনিষেধ আরোপের এই আদেশের ফলে শিক্ষাঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং তা রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। হিজাবের বিরুদ্ধাচরণে হিন্দু শিক্ষার্থীরা গেরুয়া চাদর ও ওড়না পরে মুসলমান শিক্ষার্থীদের সাথে বচসায় লিপ্ত হয়। কোথাও কোথাও আবার দলিত হিন্দুরাও নীল চাদর পরে মুসলিম ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ায়। এই নতুন বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে কিছু ছাত্রী আদালতের দ্বারস্থ হয় এবং কর্নাটক হাইকোর্টে মামলা করে। এদিকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তিন দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন।

এই বিতর্ক ও উত্তেজনার মধ্যে কলেজছাত্রী মুসকান খান ভারতবর্ষ তথা সারা বিশ্বের জন্য এক অনুকরণীয় প্রতিবাদের পদ্ধতির অবতারণা করলেন। ভারতের ধর্মান্ধ হিন্দুত্ববাদী জনগোষ্ঠীকে তিনি শেখালেন পাল্টা আক্রমণ বা গালাগাল নয় বরং নিজের আদর্শের ভেতরে থেকে বলিষ্ঠভাবে সাহসিকতার সাথে অথচ অনাক্রমণাত্মক ভঙ্গিমায় কিভাবে হায়েনার মতো ছুটে আসা দুষ্কৃতকারীদের জবাব দিতে হয়। মুসকান কর্নাটক রাজ্যের মান্দিয়া জেলার পিইএস কলেজ অব আর্টস, সায়েন্স অ্যান্ড কমার্সের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তিনি নিয়মিত বোরকা ও হিজাব পরেই তার শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজ্যে হিজাব বিতর্ক চলমান অবস্থায় তিনি গত ৯ ফেব্রুয়ারি কলেজে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে যান। ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতেই প্রায় ৪০ জন হিজাববিরোধী যুবক গেরুয়া রঙের ওড়না পরে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দিতে তার দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। এমতাবস্থায় মুসকান বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে দৃঢ় চিত্তে পাল্টা ‘আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিতে দিতে কলেজ ভবনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে। অবস্থার অবনতি হওয়ার আগেই কলেজের অধ্যক্ষ এসে মুসকানকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যান।

ঘটনাটি কেউ একজন লাইভ স্ট্রিমিং করে। মুহূর্তের মধ্যে মুসকানের ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। পৃথিবীজুড়ে কোটি মুসলমানের বুকে অনুরণিত হয় সেই তাকবির। আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ে কোটি কোটি মোমিনের হৃদয়। অঞ্চল, দেশ, গোত্র, সাদা, কালো নির্বিশেষে আল্লাহ তায়ালায় বিশ্বাসী মানুষের চোখে গড়িয়ে পড়ে অশ্রু। তাদের হৃদয় কম্পিত হয়, সমগ্র শরীরের রোম দাঁড়িয়ে যায়, অনুভ‚ত হয় অজানা শিহরণ। ধমনীর রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়।

ছোট্ট এই মেয়েটি বিশ্বের মুসলমানদের সঙ্গে নতুন করে যেন আল্লাহকে পরিচয় করিয়ে দিলো। অর্থাৎ ছোট্ট এই মেয়েটির ‘আল্লাহু আকবার’ আওয়াজ বিশ্বের দেড় শ’ কোটি মুসলমানের হৃদয়ে ঝাঁকুনি সৃষ্টি করেছে। আল্লাহর প্রতি তাদের বিশ্বাস, আস্থা এবং নির্ভরতা বাড়িয়ে দিয়েছে। কেউ নতুনভাবে তার সৃষ্টিকর্তা ও রক্ষাকর্তা আল্লাহকে চিনতে পেয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘মুমিন তো তারাই যাদের হৃদয় কম্পিত হয় যখন আল্লাহকে স্মরণ করা হয় এবং যখন তার আয়াত তাদের কাছে পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে এবং তারা তাদের প্রতিপালকের ওপরই নির্ভর করে।’ (সূরা আনফাল-৮:২)

সারা বিশ্বে মুসকানের প্রতিবাদের ঘটনা আলোড়ন তুললেও ভারতে এর মিশ্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে সারা বিশ্বেও এর প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়। নতুন এই ইউনিফর্ম বিধিমালায় কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা খুশি হলেও সাধারণ সভ্য নাগরিকপক্ষ এটিকে মোটেও স্বাগত জানায়নি। অনেক হিন্দু নাগরিক মুসলিম ছাত্রীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রদায়িক সরকার সুকৌশলে বিধিনিষেধে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে হিন্দু-মুসলমান বিভাজনের নীতি ওপর নির্ভর করে সরকার রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে। ফলে কট্টর হিন্দু গোষ্ঠীগুলো ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর চরম নির্যাতন চালানোর লাইসেন্স পেয়ে যাচ্ছে। সারা ভারতে বছরজুড়ে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মুসলমানদের ওপর চরম নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও নিষ্কৃতি পাচ্ছে না। জানা যায়, গত বছর খ্রিষ্টানদের বড়দিনে ভারতে কমপক্ষে ১৬টি শহরে বিভিন্ন গির্জায় উগ্র হিন্দুরা হামলা চালায়। ইউনাইটেড ফোরামের হিসাব মতে, গত বছর ভারতে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ওপর কমপক্ষে ৪৬০টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। (প্রথম আলো: ১৭ জানুয়ারি-২০২২) তবে ভারতের সাধারণ জনগণ কোনোভাবেই এই প্রক্রিয়া সমর্থন করছে না। সুশীল সমাজ বরাবরই সাম্প্রদায়িক নীতির বিরোধিতা করে আসছে।

হিজাব যদি নিষিদ্ধ হয় তবে শিখ সম্প্রদায়ের পাগড়ি, হিন্দুদের হাতের রাখি, কপালের সিঁদুর ইত্যাদিকেও কি মোদি সরকার নিষিদ্ধ করবে? ওগুলো নিষিদ্ধ করা কি সম্ভব ভারতে? যদি সম্ভব না হয় তবে শুধু হিজাব নিষিদ্ধ করা কি মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক পদক্ষেপ নয়? বৃহত্তর গণতন্ত্র বা ধর্মনিরপেক্ষতার বুলি আওড়ানোর সাথে কি এই হিজাব নিষিদ্ধের আদেশ সঙ্গতিপূর্ণ?

এ বিষয়ে ভারতের বিচার বিভাগের পদক্ষেপ বা প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণের দাবি রাখে। কর্নাটক হাইকোর্টের একক বেঞ্চ কলেজ কর্তৃপক্ষের এই অবৈধ আদেশের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ না দিয়েই মামলাটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি করার জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে প্রেরণ করেন। আর প্রধান বিচারপতি আদেশ দেন যে, আদালতের রায় দেয়ার আগ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির নতুন নির্দেশনা মেনে মুসলমান ছাত্রীদের হিজাব ছাড়া শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে! বাস্তবতা হলো, হাইকোর্টের একটি রায় আসতে প্রচুর সময়ক্ষেপণ হয়। হাইকোর্টের এই রায় চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে জরুরি ভিত্তিতে শুনানি করে মামলার নিষ্পত্তি করার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ রায় আসতে যত দেরিই হোক না কেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়া ওই নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে এবং এভাবেই নিষেধাজ্ঞাটি অলিখিতভাবে কৌশলে জারি হয়ে গেল। ইতোমধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয়ে আসবে এবং প্রাকৃতিকভাবে এক সময় সবাই অভ্যস্ত হয়ে পড়বে। অথচ মামলার পক্ষের আইনজীবী দেবদত্ত কামাথ শুনানিতে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইনের সাথে এই হিজাব নিষেধাজ্ঞার নির্দেশিকাটি সাংঘর্ষিক। ভারতের সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে - রাষ্ট্রের সব নাগরিক স্বাধীনভাবে ধর্ম পালন, অনুশীলন এবং প্রচারের ক্ষেত্রে সমান অধিকার রাখে। (প্রথম আলো : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২) কাজেই উচিত ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে আগের হিজাব পরিধানের রীতিটি চালু থাকতে দেয়া। সেটাই হতো আদালতের আপাত নিরপেক্ষতামূলক একটি আদেশ।

কাজেই বাদীপক্ষের ধারণা হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, ভারতের উচ্চ আদালত হয়তো হিন্দুত্ববাদের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট অথবা মোদি সরকারের অধীনে স্বাধীনভাবে কাজ করতে সক্ষম নয়। কারণ এর আগেও আমরা দেখেছি ভারতের আদালত বাবরি মসজিদের বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে রায় দিয়েছিলেন। সেখানে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সাক্ষ্য, যুক্তি এবং সত্য পরাজিত হয়েছিল। আবার সম্প্রতি এক মুসলমানের মেয়ের বিয়েতে গরুর গোশত খাওয়ানোর অপরাধে তার ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। মামলায় রায়ে বলা হয়েছিল, ওটা যে গোমাংস ছিল না সেটি বিবাদি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। (প্রথম আলো: ২৮ জানুয়ারি ২০২২) এভাবে ভারতীয় উচ্চ আদালত বিভিন্ন বিষয়ে দুই ধর্মের ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিদের মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে কৌশলে পক্ষপাতদুষ্ট রায় দিয়েছেন।

চলমান বাস্তবতায় ভারতের মুসলমান নাগরিকদের মনে এমন সন্দেহ জাগতেই পারে যে, ভারতের আদালতগুলো হিন্দুত্ববাদ প্রভাবিত বা স্বাধীনতাহীন।

কাজেই হিজাব নিষিদ্ধের এই মামলার রায় কেমন হতে পারে সে বিষয়ে অনেকেই অনুমান করছেন। ক্যালিফোর্নিয়ার বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-তত্ত্ববিদ এবং পণ্ডিত অঙ্গনা চ্যাটার্জি বলেছেন, ‘ক্ষমতাসীন হিন্দু জাতীয়তাবাদী বিজেপি সরকারের মধ্যে যে বিদ্বেষ ও কুসংস্কার রয়েছে তা ভারতের পুলিশ এবং আদালতের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অনুপ্রবেশ করেছে। উগ্র জাতীয়তাবাদী দলগুলোকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হুমকি, হয়রানি ও আক্রমণ করার ক্ষমতা দিয়েছে, দায়মুক্তিসহ। (নয়া দিগন্ত : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২)

তবে অসহায় ছাত্রী মুসকান তার প্রতিবাদের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে অনেক কিছু শিখিয়েছেন। নিজের আদর্শ, সংস্কৃতি ও বিশ্বাস কিভাবে সঙ্ঘাত ছাড়াই বলিষ্ঠভাবে সংরক্ষণ করতে হয় তা তিনি দেখিয়েছেন। মুসকান দেখিয়েছেন সঙ্ঘাত নয় বা দুষ্কৃতকারীদের বিরোধিতার প্রতিউত্তরে কোনো ধরনের পাল্টা আক্রমণ নয় বা কোনো ধরনের দুর্ব্যবহার নয়; বরং নিজের আদর্শ ও বিশ্বাস দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে। সন্ত্রাসের প্রতিউত্তরে পাল্টা সন্ত্রাস না করে, সাহসিকতার সাথে নিজের আদর্শে অবিচল থাকতে হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘সুতরাং তুমি কাফেরদের আনুগত্য করো না এবং কুরআনের সাহায্যে তাদের সাথে প্রবল সংগ্রাম চালিয়ে যাও।’ (সূরা ফোরকান-২৫:৫২)

একদিন হয়তো ভারতের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের হিজাব ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে উচ্চ আদালতের রায় আসবে। কিন্তু ততদিনে সব নদীতে অনেক পানি গড়িয়ে যাবে। হয়তো মোদির রাজনৈতিক শক্তি আরো মজবুত হবে। হিন্দুত্ববাদী বাস্তবতার ওপর বিজেপি সরকারের জনপ্রিয়তা আরো বেড়ে যাবে। জয়ী হবে ভারতের বিজেপি ও মোদির সরকার, কিন্তু পরাজিত হবে গণতন্ত্র ও সংবিধান, খসে পড়বে তাদের ধর্মনিরপেক্ষতার মুখোশ।


লেখক : নিরাপত্তা বিশ্লেষক

Email: [email protected]


মন্তব্য