প্রচ্ছদ

পদ্মা সেতুতে এতো ভারতীয়দের আনাগোনা কেন?

2021/06/27/_post_thumb-2021_06_27_03_27_02.jpg

গত দুই দিনে পদ্মা সেতু এলাকা থেকে দুই ভারতীয়কে সন্দেহভাজন গ্রেফতার করে সেনাবাহিনী। পরে তাদের দুজনকেই পুলিশে দেয়া হয়। তাদের মধ্যে একজন রূপসা রায় (৪০)আরেকজন বিজয় কুমার রায়।

জানা যায়, গত বুধবার রাতে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজাসংলগ্ন ও ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড এলাকার কাছ থেকে ভারতীয় নাগরিক বিজয় কুমার রায়কে (৪২) আটক করা হয়। তিনি ভারতের বিহারের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম টুনা রায়।  এরপর গতকাল শুক্রবার রাতে পদ্মা সেতুর টোলপ্লাজাসংলগ্ন জাজিরার নাওডোবা এলাকা থেকে রূপসা রায় (৪০) নামের আরও একজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি গুজরাটের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

গত দুই দিনে পদ্মাসেতুর আশেপাশে এমন ভারতীয়দের আনাগোনা কেন?  এনিয়ে জনমনে জেগেছে প্রশ্ন।

ফ্রান্সে নির্বাসিত বাংলাদেশী লেখক ও সোশ্যাল এক্টিভিস্ট পিনাকি ভট্রচার্জ লিখেছেন, পদ্মা সেতু আমাদের এই মুহুর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাটেজিক স্থাপনার একটা। এইখানে সেনাবাহিনী একজন বিদেশী নাগরিককে ধরলো। এখন সেনাবাহিনী আপনারাই বলেন আপনাদের কী করা উচিৎ? আপনারা তো আপনার গোয়েন্দা সংস্থায় কাছে তারে হস্তান্তর করবেন। তারা তদন্ত করবে তারপরে সিদ্ধান্ত হবে তাকে নিয়ে কী করা হবে? সরকার তো সেনা ডিপ্লয় করছে পুলিশ ডিপ্লয় করে নাই। কেন সেনা ডিপ্লয় করছে পুলিশ না করে? করছে কারণ, এই সেতুর মিলিটারি ইম্পর্টেন্স আছে। আগে তো নিশ্চিত হবেন যে এই লোক স্যবোটিয়ার না। তারপরে আপনি তারে সিভিল প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। 

এছাড়া অনেকেই দেখছেন চীনা প্রকৌশলী নিখোঁজের পেছনে ভারতীয়দের হাত রয়েছে। দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পদ্মা সেতুর ১৩ নম্বর খুঁটির কাছাকাছি মাঝপদ্মায় সেতু প্রকল্পের নির্মাণাধীন বৈদ্যুতিক খুঁটিতে কাজ করছিলেন ঝাও। একপর্যায়ে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন প্রকৌশলী ঝাও। এরপর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ মিলছে না।

সচেতন মহল বলছেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ বড় বড় প্রোজেক্টে ভারতীয়রা বসে আছেন। পদ্মাসেতু চীনের অধীনে হওয়ায় বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করে চলছে তারা। ভারত আসলে মুখে আমাদের বন্ধুত্বের কথা বললেও বাস্তবে বাংলাদেশকে গ্রাস করতে চায়। এখন বাংলাদেশতো ভারতের নিয়ন্ত্রণে এই ঘটনা আবারো অনেকটা পরিষ্কার করে দিলো।

মন্তব্য