ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় ০৩:১০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী ফ্রি ফিজিওথেরাপি ক্যাম্প, রক্তদান কর্মসূচি, বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর শিক্ষা দর্শন: প্রেক্ষিত ৭ নভেম্বর’ শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলসহ নানাবিধ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৯ টায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ডাঃ এম. আর. খান মেডিকেল সেন্টারে দিনব্যাপী ফ্রি ফিজিওথেরাপি ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারীতে শুরু হয় ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর শিক্ষা দর্শন: প্রেক্ষিত ৭ নভেম্বর’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক ঐক্য আমাদের জাতীয় রাজনীতি ও মুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। ৭ই নভেম্বরের মূল শিক্ষা হলো- জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার। ইতিহাসের সঠিক ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের সম্মিলিত প্রত্যয় হওয়া উচিত। শিক্ষার উন্নয়ন ও জাতীয় অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর জাতীয় অগ্রগতি নির্ভর করে না; এর জন্য জ্ঞান, বিজ্ঞান, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব বিকাশ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। যবিপ্রবি জ্ঞানভিত্তিক, বিজ্ঞানমনস্ক এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যতবারই দেশ ও মেহনতী মানুষ বিপদে পড়েছে, ততবারই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সামনে এসে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমেই মূলত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নতুনভাবে সুরক্ষিত হয়েছিল এবং সেদিন সিপাহী-জনতা তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছিল। বিগত দিনগুলোতে ৭ই নভেম্বরকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হলেও সঠিক ইতিহাস জেনে নতুন প্রজন্মের সামনে তা সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর স্বতন্ত্র পরিচয় ও দর্শন উপহার দিয়েছিলেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যেকোনো সংকট মোকাবিলায় দলীয় মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।”

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর শিক্ষা দর্শন: প্রেক্ষিত ৭ নভেম্বর’ শীর্ষক আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি, তাৎপর্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের দর্শন, মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনসহ নানা দিক স্লাইড আকারে উপস্থাপন করেন।

আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্বাবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়াসহ সকল শহিদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্বাবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মো. আকরামুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সালেক খান ও আলেয়া জোয়ার্দ্দার। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরপ্রধানগণসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত

আপডেট সময় ০৩:১০:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দিনব্যাপী ফ্রি ফিজিওথেরাপি ক্যাম্প, রক্তদান কর্মসূচি, বর্ণাঢ্য র‌্যালি, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর শিক্ষা দর্শন: প্রেক্ষিত ৭ নভেম্বর’ শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলসহ নানাবিধ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) সূর্যোদয়ক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৯ টায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ডাঃ এম. আর. খান মেডিকেল সেন্টারে দিনব্যাপী ফ্রি ফিজিওথেরাপি ক্যাম্প ও রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদিক্ষণ করে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারীতে শুরু হয় ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর শিক্ষা দর্শন: প্রেক্ষিত ৭ নভেম্বর’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক ঐক্য আমাদের জাতীয় রাজনীতি ও মুক্তির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল। ৭ই নভেম্বরের মূল শিক্ষা হলো- জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার। ইতিহাসের সঠিক ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের সম্মিলিত প্রত্যয় হওয়া উচিত। শিক্ষার উন্নয়ন ও জাতীয় অগ্রগতি প্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করে বলেন, কেবল রাজনৈতিক পরিবর্তনের ওপর জাতীয় অগ্রগতি নির্ভর করে না; এর জন্য জ্ঞান, বিজ্ঞান, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষ মানবসম্পদ অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীল নাগরিকত্ব বিকাশ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। যবিপ্রবি জ্ঞানভিত্তিক, বিজ্ঞানমনস্ক এবং প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে যতবারই দেশ ও মেহনতী মানুষ বিপদে পড়েছে, ততবারই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সামনে এসে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর সিপাহী-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমেই মূলত দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নতুনভাবে সুরক্ষিত হয়েছিল এবং সেদিন সিপাহী-জনতা তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছিল। বিগত দিনগুলোতে ৭ই নভেম্বরকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হলেও সঠিক ইতিহাস জেনে নতুন প্রজন্মের সামনে তা সঠিকভাবে তুলে ধরতে হবে। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’-এর স্বতন্ত্র পরিচয় ও দর্শন উপহার দিয়েছিলেন। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং যেকোনো সংকট মোকাবিলায় দলীয় মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।”

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তাঁর শিক্ষা দর্শন: প্রেক্ষিত ৭ নভেম্বর’ শীর্ষক আলোচনা সভার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যবিপ্রবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। ১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি, তাৎপর্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নের দর্শন, মেধা ও প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তনসহ নানা দিক স্লাইড আকারে উপস্থাপন করেন।

আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্বাবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম খালেদা জিয়াসহ সকল শহিদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্বাবদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মো. আকরামুল ইসলাম।

আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সালেক খান ও আলেয়া জোয়ার্দ্দার। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, দপ্তরপ্রধানগণসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা ইয়াসমিন।