২৫ মার্চের গণহত্যার জন্য শেখ মুজিব দায়ী, মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত: এমপি কয়ছর
- আপডেট সময় ১২:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / ৩১ বার পড়া হয়েছে
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চালানো গণহত্যার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে দায়ী করে তাঁর মরণোত্তর বিচারের দাবি জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ঝিলমিল অডিটোরিয়ামে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত র্যালি পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান।
কয়ছর আহমদ বলেন, ‘১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মানুষকে উত্তাল করেছিল এক নেতা। স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য বাংলাদেশের মানুষ যখন প্রস্তুত ছিল, তখন সে বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছিল। তখন বাংলাদেশের মানুষের ওপর গণহত্যা চালায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। সেদিন যারা গণহত্যার শিকার হয়েছেন, তার জন্য দায়ী শেখ মুজিবুর রহমান। শেখ মুজিবুর রহমানের মরণোত্তর বিচার হওয়া উচিত।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দেশের প্রতিটি সংকটময় মুহূর্তে তাঁরা দেশ ও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ১৯৭৫ সালের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সিপাহি-জনতা জিয়াউর রহমানের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
বিএনপির এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগে ও পরে দেশকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। ১৯৭৫, ১৯৯০ সালসহ দীর্ঘ ১৭ বছর দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র চলেছে। যখনই দেশবিরোধী চক্রান্ত হয়েছে, তখনই জিয়াউর রহমান, বিএনপি ও জিয়া পরিবার দেশের হাল ধরেছে।
তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি, অস্ত্র হাতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশকে স্বাধীন করতে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে সবাইকে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।’
শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক রওশন খান সাগর ও যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম নাঈমের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আনছার উদ্দিন, ফারুক আহমদ ও নূর আলী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম হেলাল এবং জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিনুর রশিদ আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।



















