জাকসুতে লড়বেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের শ্যালিকা

- আপডেট সময় ০৯:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
- / ১০৭ বার পড়া হয়েছে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ- বাগছাসের নেতৃত্বাধীন ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ থেকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- এজিএস (নারী) পদে লড়বেন মালিহা নামলাহ। তিনি তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের শ্যালিকা।
অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে মালিহার বড়বোন সাবিহা নাহলা’কে বিয়ে করেন মাহফুজ আলম। এছাড়া জামায়াত নেতা মীর কাশেম আলীর সাথেও তাদের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে।
মালিহা নামলাহ’র বেড়ে ওঠা ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকায়। মো. মোসলেহ উদ্দিন ও রুহীনা তাসনীম দম্পতির সর্বকনিষ্ঠ কন্যা তিনি। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ৫০ ব্যাচের (২০২০-২১ সেশন) এবং ফজিলাতুন্নেছা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
মালিহা সর্বশেষ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্রের দায়িত্ব পালন করেছেন। অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি ‘বুক পেতেছি গুলি কর’ শীর্ষক একটি বই রচনা করেছেন। এছাড়া জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। পাকিস্তান সরকারের আমন্ত্রণে তিনি সম্প্রতি একটি সরকারি সফরেও অংশ নিয়েছিলেন।
এর আগে, মালিহা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক সংগঠন জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশনে কাজ করেছেন। পরবর্তীতে ছাত্রশক্তির উদ্যোগে ‘স্বচিন্তন’ পাঠচক্র যাত্রা শুরু করলে তিনি সেখানে কাজ করেন। ১৫ জুলাই দিবাগত রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনের ভেতর কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগ নৃশংস হামলা শুরু করলে মালিহা তার ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে বিষয়টি সরাসরি উপস্থাপন করেন। তার এ সাহসী ভূমিকার কারণে সেদিন রাতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নৃশংস হামলা দেশবাসীকে নাড়া দিয়েছিল। ভিডিও দেখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষার্থী মধ্যরাতে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে মিছিল নিয়ে ছুটে এসেছিলো উপাচার্য ভবনে।
পরবর্তী সময়েও স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে সম্মুখ সারিতে অবস্থান নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন মালিহা। নির্বাচনে জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে মালিহা তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, আমি হাঁটছি জুলাই এরও অনেক আগে থেকে। কোনো ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষায় না, একটা জুলাই এর আকাঙ্ক্ষায় ক্যাম্পাসের মানুষ এবং প্রাণীদের জন্য যেখানে প্রয়োজন মনে করেছি- কাজ করেছি। জুলাই এ সেই রাজপথটা শুধু আরেকটু শক্ত করে আঁকড়ে ধরেছি। এই ক্যাম্পাসে জুলাই এসেছে, জুলাই এসেছে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো এই জাকসু। যেই দায়িত্বগুলা বিগত বছরগুলোতে নিজে থেকে পালন করার চেষ্টা করে এসেছি, সেসব দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে কাঁধে তুলে নিতে চাই। আপনাদের দু’আ এবং সহযোগিতা চাচ্ছি।