ঢাবির স্বনামধন্য অধ্যাপকরা ৩০ দিনের মাথায় বলে ফেলেন আমি ব্যর্থ
- আপডেট সময় ০৮:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
- / ২৬ বার পড়া হয়েছে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এবং প্রথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস না হতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য ও ‘ব্যর্থ’ বলার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। আজ রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ঢাকার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া, আরে আল্লাহ! এ যেন আমি জল্লাদ আসছি, ছাত্রদেরকে জবাই করতে। আর মিডিয়াগুলো একইভাবে বলে যাচ্ছে ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে এই মন্ত্রী। আরে ভাই আমি কার জন্য কাজ করছি? ওই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য অধ্যাপকরা ৩০ দিনের মাথায় বলে ফেলেন ব্যর্থ! কেউ কেউ বলে পদত্যাগ করেন। ওই শিক্ষক কি একবার ভেবেছেন, উনি কতটা ফ্রাস্ট্রেটেড?’
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘ব্যর্থ কী এত সহজ শব্দ? নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের কিউএস র্যাঙ্কিং ড্রপ করছে, নিজের ক্লাসরুমে খাতা ঠিকমতো দেখতে পারছেন না, সকলে মিলে মন্ত্রীর খাতা দেখছেন— এই তো হচ্ছে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়া। যাই করুন না কেন, আমাদের শিক্ষক আমি, আমরা সবাই মিলে এবার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ— আমরা বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন আনব।’
বিগত সরকারের সময়ের শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, বিগত নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। আমি আগামী দিন নিয়ে কথা বলতে চাই। আমি জানি বিগত দিনে শিক্ষকদের সদিচ্ছা থাকার পরেও তারা কাজ করতে পারেননি। আমাদের সেই জায়গায় যেতে হবে। তাহলে এই যে আইনের পরিবর্তন আমি আনছি, প্রয়োজনেই আনছি। ২১শে এপ্রিল পরীক্ষা হবে শিক্ষার্থীরা কি জানত না? তাহলে তারা হঠাৎ করে এত উদ্বিগ্ন কেন? কেন আমাকে ঠাকুরগাঁওয়ে আমার বিরুদ্ধে মিছিল করতে হবে? আবার তারাই উত্তর দিচ্ছে কেউ কেউ, সাবধান এবার মন্ত্রী কিন্তু তোদের ঠাকুরগাঁওতে আসবে, না পঞ্চগড়ে আসবে। ওখানে আবার উত্তর পাওয়া যায়।




















