কাপাসিয়ায় স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জনকে নৃশংস হত্যা, খুনি স্বয়ং গৃহকর্তা
- আপডেট সময় ০১:৩২:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
- / ১৯৭ বার পড়া হয়েছে
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার রাউতকোনা এলাকায় নিজের স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালকসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কেটে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে গৃহকর্তা ফোরকান মিয়া।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত গভীর রাতে রাউতকোনা গ্রামের মনির হোসেনের ভাড়া বাসায় এই লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন—গোপালগঞ্জ জেলার বাসিন্দা ফোরকান মিয়ার স্ত্রী শারমিন (৩৫), তাঁদের তিন মেয়ে মিম (১৫), মারিয়া (১২) ও ফারিয়া (২) এবং ফোরকানের শ্যালক রসুল মিয়া (১৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফোরকান মিয়া পেশায় একজন প্রাইভেটকার চালক। তিনি পরিবার নিয়ে কাপাসিয়ার রাউতকোনা এলাকায় মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। শুক্রবার রাতে পরিকল্পিতভাবে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী, সন্তান ও শ্যালককে অচেতন করেন ফোরকান।
গভীর রাতে তারা যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন ফোরকান তার স্ত্রীর হাত-মুখ জানালার গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর পাশের ঘরে ঘুমিয়ে থাকা তিন মেয়ে ও শ্যালককেও একইভাবে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর রাতেই ফোরকান বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে মোবাইলে স্বজনদের ফোন করে তিনি এই পাঁচ খুনের কথা জানান।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, ‘কী কারণে ফোরকান এত বড় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত ফোরকান মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’












