ঢাকা ১০:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্যা ও নদীর ভাঙন বিষয়ে দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী- ‘ফান্ড নেই, এ বছর কিছু করতে পারব না’

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর ভাঙন ও প্রতিবছরের বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি বলেছেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহারশি নদীর ভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট তিনটি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করবে। তবে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সব পরিকল্পনা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবই করতে চাই, তবে আমাদের হাত-পা বাঁধা। আমাদের পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। যেটুকু বরাদ্দ আছে, তা দিয়ে যতটুকু কাজ করা সম্ভব, ততটুকুই করব। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। আপনাদের সমস্যাগুলো আমরা জানি এবং সেগুলোর সমাধানে কাজ করছি। হয়ত এ বছর তেমন কিছু করতে পারব না, তবে আগামী বছর দৃশ্যমান কাজ করতে পারব বলে আশাবাদী।

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় হলদীগ্রাম এলাকায় সিসি ঢালাই সড়কের কাজ, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় বহুরাতুলি সড়কের সিসি ঢালাই এবং কাবিখা (চাল) কর্মসূচির আওতায় জামতলী মহিলা মার্কেট এলাকায় নির্মিত সিসি ঢালাই সড়ক পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াছমিন, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক, ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম নুর মোহাম্মদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাহজাহান আকন্দ, সদস্যসচিব লুৎফর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রাজিবুল ইসলামসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপির নেতা-কর্মী এবং বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বন্যা ও নদীর ভাঙন বিষয়ে দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী- ‘ফান্ড নেই, এ বছর কিছু করতে পারব না’

আপডেট সময় ০৭:২৪:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর ভাঙন ও প্রতিবছরের বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। তিনি বলেছেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, মহারশি নদীর ভাঙন ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট তিনটি মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে কাজ করবে। তবে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সব পরিকল্পনা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবই করতে চাই, তবে আমাদের হাত-পা বাঁধা। আমাদের পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। যেটুকু বরাদ্দ আছে, তা দিয়ে যতটুকু কাজ করা সম্ভব, ততটুকুই করব। দেশে গণতান্ত্রিক সরকার এসেছে। আপনাদের সমস্যাগুলো আমরা জানি এবং সেগুলোর সমাধানে কাজ করছি। হয়ত এ বছর তেমন কিছু করতে পারব না, তবে আগামী বছর দৃশ্যমান কাজ করতে পারব বলে আশাবাদী।

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় হলদীগ্রাম এলাকায় সিসি ঢালাই সড়কের কাজ, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় বহুরাতুলি সড়কের সিসি ঢালাই এবং কাবিখা (চাল) কর্মসূচির আওতায় জামতলী মহিলা মার্কেট এলাকায় নির্মিত সিসি ঢালাই সড়ক পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াছমিন, ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক, ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম নুর মোহাম্মদ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাহজাহান আকন্দ, সদস্যসচিব লুৎফর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রাজিবুল ইসলামসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিএনপির নেতা-কর্মী এবং বিপুলসংখ্যক এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।