ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১২ নভেম্বর ভারতের উত্তরাখন্ডে নির্মাণাধীন একটি টানেল ধসে পড়ে

৪১ শ্রমিক ৯ দিন ধরে আটকা পড়ে আছে

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ১০:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩
  • / ১১১ বার পড়া হয়েছে

এখনো উদ্ধার করা যায়নি ভারতের উত্তরখন্ডের নির্মাণাধীন সিলকিয়ারা বেন্ড-বারকোট টানেলে ভূমিধসে আটকে পড়া ৪১ শ্রমিককে। নবম দিনের মতো উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, শ্রমিকদের উদ্ধারে নতুন আরেকটি খাদ খননের চেষ্টা চলছে। ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, আটকে পড়া শ্রমিকরা সেখানে কিছুটা আলো পাচ্ছেন। এ ছাড়া পাইপে করে তাদের জন্য অক্সিজেন ও শুকনো খাবার পাঠানো হচ্ছে। এর ভেতর অন্তত ৩ শ্রমিক আমাশয় আক্রান্ত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভাস্কর খুলবে জানান, আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে রান্না করা খাবার পাঠানোর পাশাপাশি টেলিফোনে সংযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, অপটিক্যাল ফাইবার কানেকশন স্থাপনের কথা চিন্তা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্যামেরা বা ফোনের মাধ্যমে আটকে পড়া ব্যক্তিরা পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।

এর আগে, ১২ নভেম্বর ভারতের উত্তরাখন্ডে নির্মাণাধীন একটি টানেল ধসে পড়ে। উত্তরাখন্ডের উত্তরকাশী জেলায় ব্রহ্মকাল-যমুনোত্রী হাইওয়ের ধারে সাড়ে ৪ কিলোমিটার লম্বা সুড়ঙ্গ তৈরি হচ্ছে। গতকাল রোববার সেই সুড়ঙ্গের দেড়শ মিটার অংশ ভেঙে পড়ে।

সেখানে অন্তত ৪১ শ্রমিক ছিলেন। তারা সবাই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি। খবর পেয়েই উত্তরকাশীর পুলিশ সুপার অর্পণ যদুবংশী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আটকে পরা শ্রমিকদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

১২ নভেম্বর ভারতের উত্তরাখন্ডে নির্মাণাধীন একটি টানেল ধসে পড়ে

৪১ শ্রমিক ৯ দিন ধরে আটকা পড়ে আছে

আপডেট সময় ১০:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ নভেম্বর ২০২৩

এখনো উদ্ধার করা যায়নি ভারতের উত্তরখন্ডের নির্মাণাধীন সিলকিয়ারা বেন্ড-বারকোট টানেলে ভূমিধসে আটকে পড়া ৪১ শ্রমিককে। নবম দিনের মতো উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, শ্রমিকদের উদ্ধারে নতুন আরেকটি খাদ খননের চেষ্টা চলছে। ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, আটকে পড়া শ্রমিকরা সেখানে কিছুটা আলো পাচ্ছেন। এ ছাড়া পাইপে করে তাদের জন্য অক্সিজেন ও শুকনো খাবার পাঠানো হচ্ছে। এর ভেতর অন্তত ৩ শ্রমিক আমাশয় আক্রান্ত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ভাস্কর খুলবে জানান, আটকা পড়া শ্রমিকদের কাছে রান্না করা খাবার পাঠানোর পাশাপাশি টেলিফোনে সংযোগ স্থাপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, অপটিক্যাল ফাইবার কানেকশন স্থাপনের কথা চিন্তা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ক্যামেরা বা ফোনের মাধ্যমে আটকে পড়া ব্যক্তিরা পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।

এর আগে, ১২ নভেম্বর ভারতের উত্তরাখন্ডে নির্মাণাধীন একটি টানেল ধসে পড়ে। উত্তরাখন্ডের উত্তরকাশী জেলায় ব্রহ্মকাল-যমুনোত্রী হাইওয়ের ধারে সাড়ে ৪ কিলোমিটার লম্বা সুড়ঙ্গ তৈরি হচ্ছে। গতকাল রোববার সেই সুড়ঙ্গের দেড়শ মিটার অংশ ভেঙে পড়ে।

সেখানে অন্তত ৪১ শ্রমিক ছিলেন। তারা সবাই ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে রয়েছেন। দুর্ঘটনার কারণ জানা যায়নি। খবর পেয়েই উত্তরকাশীর পুলিশ সুপার অর্পণ যদুবংশী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আটকে পরা শ্রমিকদের কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।