ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভোট ঠেকাতে আসলে প্রতিহত করা সাংবিধানিক দায়িত্ব : ডিএমপি

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ০৫:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ১১৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, যারা ভোট ঠেকাতে আসবে তাদের তৎপরতা প্রতিহত করা সাংবিধানিক দায়িত্ব।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভোট দেয়া যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোট না দেয়াও গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু ভোট ঠেকানো গণতান্ত্রিক অধিকার নয়। যারা ভোট ঠেকাতে আসবে তাদের অপতৎপরতা প্রতিহত করাও প্রতিটি নাগরিক ও জনপ্রতিনিধির সাংবিধানিক দায়িত্ব।

কাউন্সিলরদের কাছ থেকে কোনো ঝুঁকি কিংবা নাশকতার কোনো তথ্য পেয়েছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি নেই, নাশকতা নেই।
কাউন্সিলররা জানিয়েছেন, তাদের এলাকার লোকজন ভোট দেয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর এলাকায় দু’টি সিটি করপোরেশনের ১২৯টি ওয়ার্ড রয়েছে। সেখানে ১৭২ জন কাউন্সিলর রয়েছে। আজকে কাউন্সিলরদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কার কোন এলাকায় সমস্যা আছে সেটি আমাদের অবহিত করেছেন তারা। সম্প্রতি কিছু রাজনৈতিক দলের নাশকতা সংক্রান্ত কিছু কার্যক্রম, অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী কার্যক্রম যেগুলো হচ্ছে সেগুলো প্রতিরোধে পুলিশের সঙ্গে কাউন্সিলররা একসাথে কাজ করবে।

হাবিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ভোটদানে নিরুৎসাহিত ও ভোটদানে বাধা প্রদান কার্যক্রম যাতে কেউ না করতে পারে সেজন্য কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় হয়েছে। তারাও ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে চেয়েছে এবং আগামী দিনে সবাই যাতে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে সেজন্য আমরা বদ্ধ পরিকর।

তিনি কলেন, ঢাকা মহানগরীতে যে সমস্ত ফুটপাত ও রাস্তা দখল রয়েছে সেগুলো উদ্ধারে পুলিশ ও কাউন্সিলররা এক হয়ে কাজ করবে। পুলিশ তাদের তুলে দিতে পারে কিন্তু পুনর্বাসনের বিষয়টিও এর সাথে জড়িত। সুতরাং বিকল্প কোনো ভেন্যুতে দেখেশুনে করতে পারে সে লক্ষ্যে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।

প্রতি ওয়ার্ডে থানার ইনচার্জ ও ডেপুটি কমিশনার ও কাউন্সিলদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তীতে এর সমাধান করা হবে বলেও উল্লেখ করেছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোট ঠেকাতে আসলে প্রতিহত করা সাংবিধানিক দায়িত্ব : ডিএমপি

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেছেন, যারা ভোট ঠেকাতে আসবে তাদের তৎপরতা প্রতিহত করা সাংবিধানিক দায়িত্ব।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের সাথে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভাশেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ভোট দেয়া যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোট না দেয়াও গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু ভোট ঠেকানো গণতান্ত্রিক অধিকার নয়। যারা ভোট ঠেকাতে আসবে তাদের অপতৎপরতা প্রতিহত করাও প্রতিটি নাগরিক ও জনপ্রতিনিধির সাংবিধানিক দায়িত্ব।

কাউন্সিলরদের কাছ থেকে কোনো ঝুঁকি কিংবা নাশকতার কোনো তথ্য পেয়েছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি নেই, নাশকতা নেই।
কাউন্সিলররা জানিয়েছেন, তাদের এলাকার লোকজন ভোট দেয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেবেন।

তিনি বলেন, ঢাকা মহানগর এলাকায় দু’টি সিটি করপোরেশনের ১২৯টি ওয়ার্ড রয়েছে। সেখানে ১৭২ জন কাউন্সিলর রয়েছে। আজকে কাউন্সিলরদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কার কোন এলাকায় সমস্যা আছে সেটি আমাদের অবহিত করেছেন তারা। সম্প্রতি কিছু রাজনৈতিক দলের নাশকতা সংক্রান্ত কিছু কার্যক্রম, অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাসী কার্যক্রম যেগুলো হচ্ছে সেগুলো প্রতিরোধে পুলিশের সঙ্গে কাউন্সিলররা একসাথে কাজ করবে।

হাবিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ভোটদানে নিরুৎসাহিত ও ভোটদানে বাধা প্রদান কার্যক্রম যাতে কেউ না করতে পারে সেজন্য কাউন্সিলরদের সাথে মতবিনিময় হয়েছে। তারাও ঐক্যবদ্ধভাবে সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে চেয়েছে এবং আগামী দিনে সবাই যাতে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারে সেজন্য আমরা বদ্ধ পরিকর।

তিনি কলেন, ঢাকা মহানগরীতে যে সমস্ত ফুটপাত ও রাস্তা দখল রয়েছে সেগুলো উদ্ধারে পুলিশ ও কাউন্সিলররা এক হয়ে কাজ করবে। পুলিশ তাদের তুলে দিতে পারে কিন্তু পুনর্বাসনের বিষয়টিও এর সাথে জড়িত। সুতরাং বিকল্প কোনো ভেন্যুতে দেখেশুনে করতে পারে সে লক্ষ্যে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।

প্রতি ওয়ার্ডে থানার ইনচার্জ ও ডেপুটি কমিশনার ও কাউন্সিলদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তীতে এর সমাধান করা হবে বলেও উল্লেখ করেছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।