ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আবারও হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সব স্থাপনাকে নিশানায় রাখার নির্দেশ খামেনির

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৩৪ বার পড়া হয়েছে

শত্রুপক্ষ আবারও সামরিক হামলা চালালে যুদ্ধ কখন এবং কী শর্তে শেষ হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, শত্রুরা আবার সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী ও ইরানের জনগণই সংঘাতের সমাপ্তির সময় ও শর্ত নির্ধারণ করবে।

ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিবৃতি দেন তিনি। সম্ভাব্য যেকোনো শত্রু হুমকির জবাবে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সব ধরনের সম্পদ ও স্থাপনাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নাগালের মধ্যে আনতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

মোজতবা খামেনির এই বক্তব্যের আগে শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তা আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন। তার ভাষ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে আবারও মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চালালে সংঘাতের পরিধি অনেক বেড়ে যেতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইরানও ওই অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালায়। পরবর্তী সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়ে গেছে। নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আবারও হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সব স্থাপনাকে নিশানায় রাখার নির্দেশ খামেনির

আপডেট সময় ০১:০৫:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

শত্রুপক্ষ আবারও সামরিক হামলা চালালে যুদ্ধ কখন এবং কী শর্তে শেষ হবে, তা ইরানই নির্ধারণ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে মোজতবা খামেনি বলেন, শত্রুরা আবার সামরিক বা সন্ত্রাসী হামলা চালালে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী ও ইরানের জনগণই সংঘাতের সমাপ্তির সময় ও শর্ত নির্ধারণ করবে।

ইরানের জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এ বিবৃতি দেন তিনি। সম্ভাব্য যেকোনো শত্রু হুমকির জবাবে ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছাড়াই তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সামরিক কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন মোজতবা খামেনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সব ধরনের সম্পদ ও স্থাপনাকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নাগালের মধ্যে আনতে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকা হালনাগাদের নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

মোজতবা খামেনির এই বক্তব্যের আগে শনিবার ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে তা আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন। তার ভাষ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে আবারও মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান চালালে সংঘাতের পরিধি অনেক বেড়ে যেতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জবাবে ইরানও ওই অঞ্চলে পাল্টা হামলা চালায়। পরবর্তী সময়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হলেও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌযান চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়ে গেছে। নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কার মধ্যেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে।