আমেরিকানরা বিরক্ত হলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্প
- আপডেট সময় ০২:১৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
- / ২২ বার পড়া হয়েছে
মার্কিন ভোটাররা তাঁর ওপর বিরক্ত হয়ে গেলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রসিকতা করে দেওয়া এই মন্তব্যের পাশাপাশি তিনি দাবি করেছেন, ইসরায়েলে তাঁর জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ। তবে নিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে করা এই দাবির পক্ষে কোনো জনমত জরিপের তথ্য দেননি ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট গ্রহণের দিন ফক্স নিউজের ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরায়েলে আমার জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ যদি আমার ওপর বিরক্ত হয়ে যায়, তাহলে আমি ইসরায়েলে চলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাব।’
একই সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন আর্থিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণাও দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর একটি সমঝোতা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে বছরে প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের সহায়তা দেওয়া বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র।
ট্রাম্পের দাবি, ইসরায়েল এখন অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ এবং দেশটির আর এই সহায়তার প্রয়োজন নেই। তবে প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও দেশটিকে সহযোগিতা করবে। তাঁর মতে, ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তার বিষয়টি ব্যবহার করে কিছু ডেমোক্র্যাট ও বামপন্থী রাজনীতিক রিপাবলিকানদের সমালোচনা করছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিদ্যমান নিরাপত্তা সহায়তা চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৮ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলকে বছরে প্রায় ৩৮০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা রয়েছে। এ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই সহায়তা বন্ধের বিষয়ে ট্রাম্পের ঘোষণার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য অবশ্য নতুন নয়। গত মে মাসেও একই ধরনের কথা বলেছিলেন তিনি। সে সময়ও ইসরায়েলিদের মধ্যে নিজের জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ বলে দাবি করেছিলেন।
এদিকে, সর্বশেষ মন্তব্যটি এমন সময়ে এসেছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক পরীক্ষার মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। এবারের নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদের ৪৩৫টি আসনের সব কটি এবং সিনেটের ১০০টি আসনের মধ্যে ৩৫টিতে ভোট হচ্ছে। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে লড়ছে ডেমোক্র্যাটরা। নির্বাচনে জয়ী হলে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের বাকি সময়ে নীতিনির্ধারণে আরও বেশি প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পাবে দলটি।



















