ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নভেম্বরের চেতনায় নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী ও ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান: হাবিপ্রবি উপাচার্য

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৩:১১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উপাচার্য বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেদিন সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করে।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের চেতনাই ছিল ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার রেখে যাওয়া আদর্শ। দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুসংহত করার ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন।

উপাচার্য বলেন, জাতীয় জীবনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন থাকতে হবে।

এর আগে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক প্রদক্ষিণ করে অডিটোরিয়াম-১-এর সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান, পোস্টগ্র্যাজুয়েট অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মহিদুল হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান।

আলোচনায় অধ্যাপক ড. মো. মহিদুল হাসান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তৎকালীন ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। এ সময় তিনি রক্ষীবাহিনীর প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতা ও ভূমিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী অস্ত্র হস্তান্তর নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য ও দাবি উপস্থাপন করেন।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

৭ নভেম্বরের চেতনায় নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী ও ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান: হাবিপ্রবি উপাচার্য

আপডেট সময় ০৩:১১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উপাচার্য বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সেদিন সিপাহি-জনতার ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করে।

তিনি আরও বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের চেতনাই ছিল ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার রেখে যাওয়া আদর্শ। দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুসংহত করার ক্ষেত্রে ৭ নভেম্বর একটি অবিস্মরণীয় দিন।

উপাচার্য বলেন, জাতীয় জীবনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে সচেতন থাকতে হবে।

এর আগে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক প্রদক্ষিণ করে অডিটোরিয়াম-১-এর সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুল হাসান খান, পোস্টগ্র্যাজুয়েট অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান এবং রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আবু হাসান। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মহিদুল হাসান। এতে সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান।

আলোচনায় অধ্যাপক ড. মো. মহিদুল হাসান ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও তৎকালীন ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। এ সময় তিনি রক্ষীবাহিনীর প্রতিষ্ঠা, ক্ষমতা ও ভূমিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী অস্ত্র হস্তান্তর নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য ও দাবি উপস্থাপন করেন।

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।