ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আওয়ামীলীগের তিন প্রার্থীর স্ত্রীরা বেকার হলেও কোটিপতি

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
  • / ৪৪ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী তিনজনই কোটিপতি। তাদের স্ত্রীরা চাকরি বা ব্যবসা করেন না। তবুও তাদের নামে রয়েছে লাখ লাখ টাকার সম্পদ।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাত জাহান সোনালীরও রয়েছে কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি। তাদের প্রত্যেকেরই বার্ষিক আয়ের হিসাবে রয়েছে অনেক পার্থক্য। পেশাও উল্লেখ করা হয়েছে পৃথকভাবে।

২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান আরিফুর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সুলতান হোসেন খান এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল আমীন খান সুরুজ।

নলছিটিতেও চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জিকে মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক মেয়র ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তছলিম উদ্দিন চৌধুরী এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন খান সেলিম।

ঝালকাঠি জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে জানা যায়, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে সদর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী (কাপ পিরিচ) নুরুল আমীন খান সুরুজ। তার বার্ষিক আয় আট কোটি ১৩ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে বর্তমান চেয়ারম্যান ও আনারস প্রতীকের খান আরিফুর রহমান। তার বার্ষিক আয় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সাবেক চেয়ারম্যান ও দোয়াত কলম প্রতীকের সুলতান হোসেন খানের বার্ষিক আয় এবক কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আর নলছিটি উপজেলার তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর বছরে আয় ১৫ লাখের মধ্যে রয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শেখেরহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমীন খান সুরুজের পেশা ঠিকাদার। তার সম্পদ আছে ২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার। কৃষিখাত, ব্যবসা, এফডিআর ও সম্মানী ভাতা থেকে তিনি ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বছরে আয় আট কোটি ১৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে শুধু ব্যবসা থেকে আয় আট কোটি ১ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নিজের জমি, ভবন, বাড়ি ও স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট এবং পৈতৃক সম্পত্তির মূল্য এক কোটি ৭০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকার। তার স্ত্রী এক কোটি ২ লাখ টাকার সম্পদের মালিক।

উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান আরিফুর রহমানের সম্পদ আছে ১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। কৃষি, বাসাভাড়া, ব্যবসা, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ থেকে তার বছরে আয় এক কোটি ৬ লাখ টাকা এবং স্ত্রী-সন্তানদের আয় এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা। নগদ ১২ লাখ টাকা, ব্যাংকে জমা ছয় কোটি ৮ লাখ টাকাসহ মোট অস্থাবর সম্পত্তি সাত কোটি ৪৪ লাখ টাকার।

স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তি আছে তিন কোটি ৮৩ লাখ টাকার। নির্ভরশীলরা ছয় কোটি ২৪ লাখ টাকার মালিক। আরিফুর রহমানের আট কোটি ১১ লাখ ও স্ত্রীর দুই কোটি ৪৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ আছে। যৌথ মালিকানায় আরও দুটি বাড়ির কথা লেখা হলেও দাম উল্লেখ করা হয়নি।

অপর প্রার্থী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুলতান হোসেন খান পেশায় ব্যবসায়ী। কৃষিখাত, ব্যবসা, সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও ডিপিএসসহ তার এবং নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় এক কোটি ৫৯ লাখ টাকা। তার নগদ পাঁচ কোটি ৪১ লাখ, এফডিআর ৭৪ লাখ টাকাসহ মোট অস্থাবর সম্পত্তি ছয় কোটি ৪০ লাখ টাকার।

আরিফুর রহমানের নামে জমি ও অ্যাপার্টমেন্টসহ স্থাবর সম্পত্তি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার। তবে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে স্ত্রীর। এ সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে দুই কোটি ৬২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।

নলছিটি উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জি কে মোস্তাফিজুর রহমানের বার্ষিক আয় তিন লাখ ৯৯ হাজার টাকা। তার ও স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।

আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী তসলিম উদ্দিন চৌধুরী নলছিটির সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার বার্ষিক আয় ছয় লাখ ৮০ হাজার টাকা। মোট ১৭ লাখ ৬২ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার।

চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাহ উদ্দিন খান সেলিমের বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা। সম্পত্তির মূল্য তিন কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ব্যাংক ঋণ রয়েছে দুই লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ইসরাত জাহান সোনালী পেশায় উন্নয়নকর্মী। তার নিজের সম্পদ কোটি টাকার ওপরে। ঝালকাঠি মহিলা কলেজের সামনে তার বহুতল বাড়ির মূল্য কোটি টাকা।

জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান (টানা তিনবারের নির্বাচিত) ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান সোনালীর নামে ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৫৪ লাখ ৮৬ হাজার টাক। তার স্বামীর নামে ৪৭ লাখ ৯ হাজার টাকার স্থাবর ও ২৬ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রার্থী নুরুল আমীন খান সুরুজ বলেন, যেমন সম্পত্তি রয়েছে, তেমন ব্যয়ও রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আওয়ামীলীগের তিন প্রার্থীর স্ত্রীরা বেকার হলেও কোটিপতি

আপডেট সময় ০৫:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী তিনজনই কোটিপতি। তাদের স্ত্রীরা চাকরি বা ব্যবসা করেন না। তবুও তাদের নামে রয়েছে লাখ লাখ টাকার সম্পদ।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ইসরাত জাহান সোনালীরও রয়েছে কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি। তাদের প্রত্যেকেরই বার্ষিক আয়ের হিসাবে রয়েছে অনেক পার্থক্য। পেশাও উল্লেখ করা হয়েছে পৃথকভাবে।

২১ মে দ্বিতীয় ধাপে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান আরিফুর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক সুলতান হোসেন খান এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক নুরুল আমীন খান সুরুজ।

নলছিটিতেও চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জিকে মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক মেয়র ও নলছিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তছলিম উদ্দিন চৌধুরী এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন খান সেলিম।

ঝালকাঠি জেলা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে জমা দেওয়া নির্বাচনী হলফনামা বিশ্লেষণ করে জানা যায়, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তিতে সবচেয়ে এগিয়ে সদর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী (কাপ পিরিচ) নুরুল আমীন খান সুরুজ। তার বার্ষিক আয় আট কোটি ১৩ লাখ টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে বর্তমান চেয়ারম্যান ও আনারস প্রতীকের খান আরিফুর রহমান। তার বার্ষিক আয় দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা। সাবেক চেয়ারম্যান ও দোয়াত কলম প্রতীকের সুলতান হোসেন খানের বার্ষিক আয় এবক কোটি ৫৯ লাখ টাকা। আর নলছিটি উপজেলার তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর বছরে আয় ১৫ লাখের মধ্যে রয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শেখেরহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমীন খান সুরুজের পেশা ঠিকাদার। তার সম্পদ আছে ২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকার। কৃষিখাত, ব্যবসা, এফডিআর ও সম্মানী ভাতা থেকে তিনি ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বছরে আয় আট কোটি ১৩ লাখ টাকা। এরমধ্যে শুধু ব্যবসা থেকে আয় আট কোটি ১ লাখ টাকা। স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে নিজের জমি, ভবন, বাড়ি ও স্ত্রীর নামে ফ্ল্যাট এবং পৈতৃক সম্পত্তির মূল্য এক কোটি ৭০ লাখ টাকা। অস্থাবর সম্পত্তি ২১ কোটি ৬০ লাখ টাকার। তার স্ত্রী এক কোটি ২ লাখ টাকার সম্পদের মালিক।

উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খান আরিফুর রহমানের সম্পদ আছে ১৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। কৃষি, বাসাভাড়া, ব্যবসা, ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্রের লভ্যাংশ থেকে তার বছরে আয় এক কোটি ৬ লাখ টাকা এবং স্ত্রী-সন্তানদের আয় এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা। নগদ ১২ লাখ টাকা, ব্যাংকে জমা ছয় কোটি ৮ লাখ টাকাসহ মোট অস্থাবর সম্পত্তি সাত কোটি ৪৪ লাখ টাকার।

স্ত্রীর অস্থাবর সম্পত্তি আছে তিন কোটি ৮৩ লাখ টাকার। নির্ভরশীলরা ছয় কোটি ২৪ লাখ টাকার মালিক। আরিফুর রহমানের আট কোটি ১১ লাখ ও স্ত্রীর দুই কোটি ৪৬ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ আছে। যৌথ মালিকানায় আরও দুটি বাড়ির কথা লেখা হলেও দাম উল্লেখ করা হয়নি।

অপর প্রার্থী সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুলতান হোসেন খান পেশায় ব্যবসায়ী। কৃষিখাত, ব্যবসা, সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও ডিপিএসসহ তার এবং নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয় এক কোটি ৫৯ লাখ টাকা। তার নগদ পাঁচ কোটি ৪১ লাখ, এফডিআর ৭৪ লাখ টাকাসহ মোট অস্থাবর সম্পত্তি ছয় কোটি ৪০ লাখ টাকার।

আরিফুর রহমানের নামে জমি ও অ্যাপার্টমেন্টসহ স্থাবর সম্পত্তি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকার। তবে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে স্ত্রীর। এ সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে দুই কোটি ৬২ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।

নলছিটি উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জি কে মোস্তাফিজুর রহমানের বার্ষিক আয় তিন লাখ ৯৯ হাজার টাকা। তার ও স্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।

আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী তসলিম উদ্দিন চৌধুরী নলছিটির সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার বার্ষিক আয় ছয় লাখ ৮০ হাজার টাকা। মোট ১৭ লাখ ৬২ হাজার টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার।

চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাহ উদ্দিন খান সেলিমের বার্ষিক আয় ১৫ লাখ টাকা। সম্পত্তির মূল্য তিন কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ব্যাংক ঋণ রয়েছে দুই লাখ ৯৮ হাজার টাকা।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনজন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ইসরাত জাহান সোনালী পেশায় উন্নয়নকর্মী। তার নিজের সম্পদ কোটি টাকার ওপরে। ঝালকাঠি মহিলা কলেজের সামনে তার বহুতল বাড়ির মূল্য কোটি টাকা।

জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান (টানা তিনবারের নির্বাচিত) ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান সোনালীর নামে ৫৩ লাখ ৩৭ হাজার টাকার স্থাবর সম্পত্তি আছে। অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৫৪ লাখ ৮৬ হাজার টাক। তার স্বামীর নামে ৪৭ লাখ ৯ হাজার টাকার স্থাবর ও ২৬ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।

হলফনামায় উল্লেখিত সম্পদের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রার্থী নুরুল আমীন খান সুরুজ বলেন, যেমন সম্পত্তি রয়েছে, তেমন ব্যয়ও রয়েছে।