ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাবনায় ছাত্রদল ও যুবদলের মধ্যে সংঘর্ষ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৮:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে পৌর শহরের শরৎনগর বাজারে পাবনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে নেতাকর্মীদের একটি আলোচনাসভা শেষে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান রিপন ও উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন। অন্যদের নাম জানা যায়নি।

আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল রাতে ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের পুরাতন ডাকবাংলো চত্বরে পাবনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে যুবদল নেতা রিপন ও ছাত্রদল নেতা আলমগীরসহ নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির কিছু সিনিয়র নেতা সেখানে উপস্থিত হলে তাতে আপত্তি তুলেন অন্যরা। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় এবং ওই সিনিয়র নেতারা সভা ছেড়ে চলে যান।

আহতদের অভিযোগ, আলোচনাসভা শেষ হওয়ার পরে ওই নেতাদের একাংশ এক থেকে দেড় শ লোক দিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করে।

আহত ছাত্রদল নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, সভায় আমরা শুধুমাত্র তুহিন ভাইয়ের সঙ্গে বসে আলাপ করতে চেয়েছিলাম। সেখানে পূর্বে কখনো আমাদের খোঁজ নেয়নি এরকম কিছু সিনিয়র নেতা এলে আমাদের অনেকেই তাতে আপত্তি তুলেন, এটা ঠিক। তৎক্ষণাৎ আমরা বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমাও চাই।

এরপরও সভা শেষে ছাত্রদল নেতা লিখন সরকার, বায়েজিদ ও কৃষকদল নেতা মাসুমসহ এক থেকে দেড় শ লোক এসে আমাদের বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় আমরা ৭/৮ জন আহত হয়েছি। আমরা এর বিচার চাই।এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব লিখন সরকার বলেন, তারা মিথ্যা অভিযোগ করছেন। সেদিনের সভায় সিনিয়র নেতাদের তারা ডাকেনি।

হাসান জাফির তুহিন ভাই সিনিয়র নেতাদের ডাকলে তারা উল্টো হট্টগোল করে। পরে সভা শেষে আরেকটি পক্ষের সাথে আহতদের ঝামেলা বাধে। এ সময় আমি ও কৃষকদলের সভাপতিসহ কয়েকজন গিয়ে সেটি মেটানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন বলেন, এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জায়গা থেকে ঘটনাটি ঘটে। পরে তারা উভয়পক্ষই বিষয়টি মীমাংসা করা নিয়েছে।

এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনায় ছাত্রদল ও যুবদলের মধ্যে সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০৮:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ছাত্রদল ও যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে পৌর শহরের শরৎনগর বাজারে পাবনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে নেতাকর্মীদের একটি আলোচনাসভা শেষে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান রিপন ও উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন। অন্যদের নাম জানা যায়নি।

আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল রাতে ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের পুরাতন ডাকবাংলো চত্বরে পাবনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি হাসান জাফির তুহিনের সঙ্গে যুবদল নেতা রিপন ও ছাত্রদল নেতা আলমগীরসহ নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপির কিছু সিনিয়র নেতা সেখানে উপস্থিত হলে তাতে আপত্তি তুলেন অন্যরা। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয় এবং ওই সিনিয়র নেতারা সভা ছেড়ে চলে যান।

আহতদের অভিযোগ, আলোচনাসভা শেষ হওয়ার পরে ওই নেতাদের একাংশ এক থেকে দেড় শ লোক দিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের মারধর করে।

আহত ছাত্রদল নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, সভায় আমরা শুধুমাত্র তুহিন ভাইয়ের সঙ্গে বসে আলাপ করতে চেয়েছিলাম। সেখানে পূর্বে কখনো আমাদের খোঁজ নেয়নি এরকম কিছু সিনিয়র নেতা এলে আমাদের অনেকেই তাতে আপত্তি তুলেন, এটা ঠিক। তৎক্ষণাৎ আমরা বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমাও চাই।

এরপরও সভা শেষে ছাত্রদল নেতা লিখন সরকার, বায়েজিদ ও কৃষকদল নেতা মাসুমসহ এক থেকে দেড় শ লোক এসে আমাদের বেধড়ক মারধর করে। এ ঘটনায় আমরা ৭/৮ জন আহত হয়েছি। আমরা এর বিচার চাই।এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব লিখন সরকার বলেন, তারা মিথ্যা অভিযোগ করছেন। সেদিনের সভায় সিনিয়র নেতাদের তারা ডাকেনি।

হাসান জাফির তুহিন ভাই সিনিয়র নেতাদের ডাকলে তারা উল্টো হট্টগোল করে। পরে সভা শেষে আরেকটি পক্ষের সাথে আহতদের ঝামেলা বাধে। এ সময় আমি ও কৃষকদলের সভাপতিসহ কয়েকজন গিয়ে সেটি মেটানোর চেষ্টা করি। কিন্তু এখন তারা উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলছেন।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন বলেন, এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জায়গা থেকে ঘটনাটি ঘটে। পরে তারা উভয়পক্ষই বিষয়টি মীমাংসা করা নিয়েছে।

এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।