ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেরাণীগঞ্জে বিএনপির ৩ শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৮:৫৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ২২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদল ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কোন্ডা ইউনিয়নে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ঢাকা-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম।

জামায়াতে যোগ দেওয়া উল্লেখযোগ্য নেতারা হলেন কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ইসাকুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দিন, কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য আব্দুল খালেক, শ্রমিক দলের আতাউর রহমান এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা হাজী আনোয়ার হোসেন ফালান।

জামায়াতে যোগ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে যুবদলের সাবেক নেতা ইসাকুর রহমান আমার দেশকে বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের শিকার হয়েছি। যৌথ বাহিনী আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। একাধিক মামলার আসামি আমি এবং আমার ছেলে। দলের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করার পরও দলের কাছে মূল্যায়ন পাইনি। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে নেতারা দল সাজিয়েছে। আমি বৈষম্যের শিকার হয়েছি। বিএনপিতে আমার অবদান রয়েছে। ২০০১ সালে কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দলের হাল ধরেছি। ২০০৩ সালে সভাপতি হয়েছি। আওয়ামী দুঃসময়ে দলের পক্ষে কাজ করে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তার পরও দল মূল্যায়ন করেনি, যে কারণে বাধ্য হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

যুবদলের আরেক নেতা বাহাউদ্দিন বলেন, ‘দলের পক্ষে কাজ করে সম্মান পাইনি। বর্তমানে দলে নতুনদের কদর বেশি। বিএনপিতে সম্মান নেই, তাই জামায়াতে যোগ দিয়েছি।’

কোন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা লুৎফর রহমান আমার দেশকে বলেন, কেরানীগঞ্জে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রেজাউল কবির পলের অনুসারীরা বিএনপির কমিটিতে জায়গা পাযননি। দীর্ঘদিন ধরে দলে কোন্দল চলছে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে কোনো ব্যবস্থা নেননি। যে কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

কেরাণীগঞ্জে বিএনপির ৩ শতাধিক নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

আপডেট সময় ০৮:৫৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদল ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় কোন্ডা ইউনিয়নে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ঢাকা-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম।

জামায়াতে যোগ দেওয়া উল্লেখযোগ্য নেতারা হলেন কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ইসাকুর রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি বাহাউদ্দিন, কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সদস্য আব্দুল খালেক, শ্রমিক দলের আতাউর রহমান এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা হাজী আনোয়ার হোসেন ফালান।

জামায়াতে যোগ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে যুবদলের সাবেক নেতা ইসাকুর রহমান আমার দেশকে বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের দুঃশাসনের শিকার হয়েছি। যৌথ বাহিনী আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। একাধিক মামলার আসামি আমি এবং আমার ছেলে। দলের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করার পরও দলের কাছে মূল্যায়ন পাইনি। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে নেতারা দল সাজিয়েছে। আমি বৈষম্যের শিকার হয়েছি। বিএনপিতে আমার অবদান রয়েছে। ২০০১ সালে কোন্ডা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দলের হাল ধরেছি। ২০০৩ সালে সভাপতি হয়েছি। আওয়ামী দুঃসময়ে দলের পক্ষে কাজ করে হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তার পরও দল মূল্যায়ন করেনি, যে কারণে বাধ্য হয়ে জামায়াতে যোগ দিয়েছি।

যুবদলের আরেক নেতা বাহাউদ্দিন বলেন, ‘দলের পক্ষে কাজ করে সম্মান পাইনি। বর্তমানে দলে নতুনদের কদর বেশি। বিএনপিতে সম্মান নেই, তাই জামায়াতে যোগ দিয়েছি।’

কোন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা লুৎফর রহমান আমার দেশকে বলেন, কেরানীগঞ্জে সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমান উল্লাহ আমান ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রেজাউল কবির পলের অনুসারীরা বিএনপির কমিটিতে জায়গা পাযননি। দীর্ঘদিন ধরে দলে কোন্দল চলছে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে কোনো ব্যবস্থা নেননি। যে কারণে বিএনপির নেতাকর্মীরা জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।