ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় বিএনপি প্রার্থীসহ ৪০ জনের আগাম জামিন

সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩১ বার পড়া হয়েছে
শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হকসহ ৪০ জনকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্ট তাদের জামিন দেন। মাহমুদুল হক শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি।
জানা যায়, রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন। গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে তার স্ত্রী মার্জিয়া বেগম ঝিনাইগাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলেও সন্ধ্যার আগে জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল নিজের নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহরের দিকে এগোতে চাইলে প্রশাসনের বাধার মুখে পড়েন। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে গুরুতর আহত হন রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।
সংবাদ ২৪৭/ এজে

নিউজটি শেয়ার করুন

জামায়াত নেতা হত্যা মামলায় বিএনপি প্রার্থীসহ ৪০ জনের আগাম জামিন

আপডেট সময় ০৩:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শেরপুরে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হকসহ ৪০ জনকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্ট তাদের জামিন দেন। মাহমুদুল হক শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির প্রার্থী ও রেজাউল করিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি।
জানা যায়, রেজাউল করিম শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ছিলেন। গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে তার স্ত্রী মার্জিয়া বেগম ঝিনাইগাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। এতে ২৩১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
গত বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী মিনি স্টেডিয়ামে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থীদের ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতা-কর্মীদের মধ্যে প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলেও সন্ধ্যার আগে জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল নিজের নেতা-কর্মীদের নিয়ে শহরের দিকে এগোতে চাইলে প্রশাসনের বাধার মুখে পড়েন। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে গুরুতর আহত হন রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহে নেওয়ার পথে ওই রাতেই তার মৃত্যু হয়।
সংবাদ ২৪৭/ এজে