১০ লাখ টাকা ‘নির্বাচনী চাঁদা’ দাবি বিএনপি নেতাকর্মীদের, না পেয়ে মারধর-ভাঙচুর
- আপডেট সময় ০৫:৫১:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২৯ বার পড়া হয়েছে
পাবনার ঈশ্বরদীতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার খরচের কথা বলে এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি এবং মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বড়ইচারা এলাকায় অবস্থিত বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযোগ তুলে ধরতে রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পৌর শহরের ইস্তা এলাকায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রুমন আলী। তিনি ঈশ্বরদী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রুমন আলী অভিযোগ করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিয়ম মেনে বঙ্গ মিলার্স লিমিটেডে বিভিন্ন মালামাল সরবরাহ করে আসছেন। রবিবার দুপুরে সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাসান আলী বিশ্বাসের নির্দেশে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি তার কাছে পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় হিসেবে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা প্রায় দুই লাখ টাকার পলিথিনজাত মালামাল নিয়ে যান বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ভুটভুটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং গাড়ির চালককে মারধর করা হয়। এর আগেও গত ২৮ জানুয়ারি একই পক্ষ থেকে তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।
রুমন আলী বলেন, বর্তমানে তিনি নিজের জীবন ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলেও জানান। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক হাসান আলী বিশ্বাস বলেন, তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন এবং ঘটনাস্থলেও উপস্থিত ছিলেন না। কাউকে কোনো ধরনের নির্দেশও দেননি বলে দাবি করেন তিনি। অভিযোগে নাম আসা অন্যদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার উপ-পরিদর্শক জামাল মিয়া জানান, অভিযোগের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।











