ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে বিএনপির পদধারী নেতাদের নিয়োগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৩৯ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া-৬ সদর আসনে বিএনপির পদবীধারী নেতাদের নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে যাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের অনেকেই বিএনপির কর্মী ও পদধারী নেতা বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এড. মোঃ আল-আমিন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়- “৪১ বগুড়া-৬ সদর আসনে যে সকল প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে তাদের অনেকেই বিএনপির কর্মী ও পদধারী নেতা বলে  বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে। এমনকি সরাসরি বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পদ-পদবীতে থাকা অনেককে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে। নূনগোলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত শামীমা আক্তার জেলা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল ও কলেজের সহকারি অধ্যাপক (সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার) হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত আব্দুল হান্নান জিয়া পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার সেক্রেটারি, একই প্রতিষ্ঠানের মোঃ সাইফুল ইসলাম (সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার), বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, মোঃ শওকত হোসেন (সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার) বকুল ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য। তারা যদি নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তবে ঐ সমস্ত কেন্দ্রের ফলাফলে দলীয় প্রভাব পড়বে বলে আমরা মনে করছি। ‎এমতাবস্থায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের প্রত্যাহার পূর্বক তদস্থলে নিরপেক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ করা আশুপ্রয়োজন।”

বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা বলেন, আমরা গুটিকয়েক নাম উল্লেখ করলেও এই আসনের অধিকাংশ নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে বিএনপির নেতা, কর্মি এবং সমর্থকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব দলবাজ ব্যক্তিদের দিয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে আমরা সন্দিহান। জেলা প্রশাসককে লিখিত ভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশাকরি তিনি দলীয় নেতা-কর্মিদের বাদ দিয়ে নতুন করে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দায়িত্ব প্রদান করবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

বগুড়ায় নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে বিএনপির পদধারী নেতাদের নিয়োগ

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বগুড়া-৬ সদর আসনে বিএনপির পদবীধারী নেতাদের নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে। প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার হিসেবে যাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের অনেকেই বিএনপির কর্মী ও পদধারী নেতা বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এড. মোঃ আল-আমিন।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়- “৪১ বগুড়া-৬ সদর আসনে যে সকল প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে তাদের অনেকেই বিএনপির কর্মী ও পদধারী নেতা বলে  বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে। এমনকি সরাসরি বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পদ-পদবীতে থাকা অনেককে নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাতে সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যাহত হবে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে। নূনগোলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত শামীমা আক্তার জেলা বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, বাঘোপাড়া শহীদ দানেশ উদ্দিন স্কুল ও কলেজের সহকারি অধ্যাপক (সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার) হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত আব্দুল হান্নান জিয়া পরিষদ বগুড়া জেলা শাখার সেক্রেটারি, একই প্রতিষ্ঠানের মোঃ সাইফুল ইসলাম (সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার), বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, মোঃ শওকত হোসেন (সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার) বকুল ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য। তারা যদি নির্বাচনী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তবে ঐ সমস্ত কেন্দ্রের ফলাফলে দলীয় প্রভাব পড়বে বলে আমরা মনে করছি। ‎এমতাবস্থায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের প্রত্যাহার পূর্বক তদস্থলে নিরপেক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ করা আশুপ্রয়োজন।”

বগুড়া-৬ আসনে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব সেলিম রেজা বলেন, আমরা গুটিকয়েক নাম উল্লেখ করলেও এই আসনের অধিকাংশ নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে বিএনপির নেতা, কর্মি এবং সমর্থকদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব দলবাজ ব্যক্তিদের দিয়ে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যাপারে আমরা সন্দিহান। জেলা প্রশাসককে লিখিত ভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশাকরি তিনি দলীয় নেতা-কর্মিদের বাদ দিয়ে নতুন করে নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের দায়িত্ব প্রদান করবেন।