ইশরাকের আসনে ভোটকেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের ওপর বিএনপির হামলা
- আপডেট সময় ১০:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২৫ বার পড়া হয়েছে
রাজধানীর পুরান ঢাকা-৬ আসনের ৪৩নং ওয়ার্ডের জুবলী স্কুল এন্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর পোলিং এজেন্টের ডকুমেন্টসে স্বাক্ষর করতে গেলে তাদের আটকে রেখে মারধর করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শফিকুল হককেও মারধরের করা হয়। যা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। এ আসনটি বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেনের।
এ ঘটনায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল মান্নানের পোলিং এজেন্টসহ পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরই ওই কেন্দ্রে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্বরত একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা জানান, ঢাকা-৬ আসনের জামায়াত প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ডকুমেন্টস জমা দিতে আসেন কয়েকজন পোলিং এজেন্ট। এসময় তাদের ভিতরে প্রবেশ করতে দেখে বিএনপি নেতারা উপস্থিত হয়ে
এ ঘটনায় রাত পৌনে আটটার দিকে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলন করে জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ড. আব্দুল মান্নান বলেন, ৪৩নং ওয়ার্ডের জুবলি স্কুল কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের ডকুমেন্টসে স্বাক্ষর করতে যাওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা মব সৃষ্টি করে আমাদের পোলিং এজেন্টদের মারধর করে। তারা অভিযোগ করেন, পোলিং এজেন্টদের অতিরিক্ত ডকুমেন্টস প্রদান করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারের উপরও হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীরা৷ আমরা এ ঘটনায় আইনী পদক্ষেপ নিবো।
এ হামলার নেতৃত্ব দেন ৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি মজিবুর রহমান অনু, ঢাকা মহানগরীর সদস্য ফরিদ উদ্দিন, থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ কামাল রুবেল, ৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কামিল, যুবদলের সাবেক সদস্য শফিক, ৪৩ নং ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রানার নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ তুলেন আব্দুল মান্নান।
ঘটনার কথা স্বীকার করে ৪৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি মজিবুর রহমান অনু বলেন, একপাক্ষিকভাবে জামায়াতের লোকদের ভেতরে নিয়ে পোলিং এজেন্ট ডকুমেন্টস নিচ্ছিলেন। আমাদের কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয়। এসময় দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রিজাইডিং অফিসারসহ পোলিং এজেন্টদের মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারও উপর হামলার ঘটনা ঘটেনি। জাস্ট কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে আমরা সবাই সরে গেছি।
মারধরের শিকার ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শফিকুল হক বলেন, জামায়াতের পোলিং এজেন্টার কার্ডে স্বাক্ষর দিতে আসায় আন্দাজে একটি পক্ষ অভিযোগ দিয়ে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনার পরই এখানে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। আমাদের আরেক সহকর্মীর উপর বোতল নিক্ষেপ করে। আমাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। পরে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



















