ঢাকা ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত, সাময়িক নেতৃত্ব ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর দেশ পরিচালনার জন্য অস্থায়ীভাবে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, তিন সদস্যের এই কমিটিতে আছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলে একজন আইনবিদ।

ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (৮৬)। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি এবং পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করেন।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরানে সর্বোচ্চ নেতার পদটি তৈরি করা হয় এবং তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের ওপরে একজন শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেওয়া হয়। ৮৮ সদস্যের আলেমদের নিয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই নেতা নির্বাচন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় খামেনি নিহত, সাময়িক নেতৃত্ব ঘোষণা

আপডেট সময় ০২:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর দেশ পরিচালনার জন্য অস্থায়ীভাবে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, তিন সদস্যের এই কমিটিতে আছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলে একজন আইনবিদ।

ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (৮৬)। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এছাড়া তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ নীতি এবং পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ করেন।

১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর ইরানে সর্বোচ্চ নেতার পদটি তৈরি করা হয় এবং তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্টের ওপরে একজন শীর্ষ ধর্মীয় নেতাকে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দেওয়া হয়। ৮৮ সদস্যের আলেমদের নিয়ে গঠিত ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই নেতা নির্বাচন করে।