ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় পিটিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ৩০ বার পড়া হয়েছে

ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মৃত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং কমেন্ট করেন। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগীরা ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাসায় নেয়। পরে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় পিটিয়ে হত্যা

আপডেট সময় ০৫:০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মৃত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং কমেন্ট করেন। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগীরা ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাসায় নেয়। পরে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।