ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারাবির নামাজে থাকায় প্রাণে বাঁচল শতাধিক শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৩:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ৩৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লার লাকসামে একটি টিনশেড মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদ্রাসার সাতটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে ঘটনার সময় শিক্ষার্থীরা মসজিদে তারাবিহ নামাজ আদায় করছিলেন বলে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে গেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।

সোমবার (৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে লাকসাম উপজেলা রেলওয়ে জংশন সংলগ্ন ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দীনিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রাঙ্গণের ভেতরে থাকা মসজিদে তারাবিহ নামাজ আদায় করছিলেন। এ সময় হঠাৎ একজন শিক্ষার্থী মাদ্রাসা ভবনের দিক থেকে কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তার চিৎকারে দ্রুত আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন নেভানোর আগেই টিনশেড ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ জানান, আগুনে মাদ্রাসার রান্নাঘরসহ সাতটি কক্ষ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বইপত্র, আসবাবপত্র, থাকার বিছানাপত্র এবং রাতে খাওয়ার জন্য রাখা সেহরির খাবারও পুড়ে নষ্ট হয়েছে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব জাহিদুল মাওলা চৌধুরী বলেন, ‘গভীর রাতে যখন ছাত্ররা ঘুমিয়ে থাকে তখন যদি এই অগ্নিকাণ্ড ঘটত, তাহলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে শিক্ষার্থীরা ওই সময় মসজিদে থাকায় সবাই নিরাপদ আছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

তারাবির নামাজে থাকায় প্রাণে বাঁচল শতাধিক শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৩:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

কুমিল্লার লাকসামে একটি টিনশেড মাদ্রাসায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে মাদ্রাসার সাতটি কক্ষ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে ঘটনার সময় শিক্ষার্থীরা মসজিদে তারাবিহ নামাজ আদায় করছিলেন বলে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে গেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।

সোমবার (৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে লাকসাম উপজেলা রেলওয়ে জংশন সংলগ্ন ছালেহিয়া ওয়ালিয়া দীনিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা প্রাঙ্গণের ভেতরে থাকা মসজিদে তারাবিহ নামাজ আদায় করছিলেন। এ সময় হঠাৎ একজন শিক্ষার্থী মাদ্রাসা ভবনের দিক থেকে কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তার চিৎকারে দ্রুত আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সম্মিলিত চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন নেভানোর আগেই টিনশেড ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ জানান, আগুনে মাদ্রাসার রান্নাঘরসহ সাতটি কক্ষ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার বইপত্র, আসবাবপত্র, থাকার বিছানাপত্র এবং রাতে খাওয়ার জন্য রাখা সেহরির খাবারও পুড়ে নষ্ট হয়েছে।

এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব জাহিদুল মাওলা চৌধুরী বলেন, ‘গভীর রাতে যখন ছাত্ররা ঘুমিয়ে থাকে তখন যদি এই অগ্নিকাণ্ড ঘটত, তাহলে বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। আল্লাহ পাকের অশেষ রহমতে শিক্ষার্থীরা ওই সময় মসজিদে থাকায় সবাই নিরাপদ আছে।’