ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে দুই প্রাণ

বড় ভাইয়ের পর না ফেরার দেশে জামায়াত আমির মফিজুরও

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / ১৩ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। বড় ভাই জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর তিনি মারা গেলেন।

 মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টায় ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জামায়াতে ইসলামী।

এতে বলা হয়,  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইফতারের পর বিএনপির সন্ত্রাসীরা জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং তার আপন ভাই জবীননগরের বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমান গুরুতরভাবে আহত হয়ে ঢাকাস্থ কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান এবং তার ভাই জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাদের প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সেখান থেকে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে হাফিজুর রহমান মারা যান। টানা ১০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর আজ দুপুরে মারা যান মফিজুর রহমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে দুই প্রাণ

বড় ভাইয়ের পর না ফেরার দেশে জামায়াত আমির মফিজুরও

আপডেট সময় ০৩:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদাহ বাজারে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। বড় ভাই জামায়াতকর্মী হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ১০ দিন পর তিনি মারা গেলেন।

 মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টায় ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জামায়াতে ইসলামী।

এতে বলা হয়,  গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ইফতারের পর বিএনপির সন্ত্রাসীরা জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমানকে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে এবং তার আপন ভাই জবীননগরের বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মফিজুর রহমান গুরুতরভাবে আহত হয়ে ঢাকাস্থ কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

প্রসঙ্গত, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে জীবননগর উপজেলার হাসাদহ বাজারে পূর্ববিরোধের জেরে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মফিজুর রহমান এবং তার ভাই জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা তাদের প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং সেখান থেকে যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ার পথে হাফিজুর রহমান মারা যান। টানা ১০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর আজ দুপুরে মারা যান মফিজুর রহমান।