এমপির সাথে ঘুরছেন জামায়াতকর্মী হত্যা মামলার আসামী, পুলিশ বলছে ‘পলাতক আছেন’
- আপডেট সময় ০৩:০৪:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
- / ৪৩ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে জামায়াতকর্মী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঘুরে বেড়াচ্ছেন স্থানীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে। এদিকে পুলিশ বলছে, আসামি পলাতক তাই তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছে না।
শুক্রবার বিকালে রাজশাহী বিমানবন্দরে রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন-এর সঙ্গে এ ছবি তুলেন মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রাসেল। ছবিটি তিনি ফেইসবুকে পোস্ট করেন। ক্যাপশনে লেখেন, “এয়ারপোর্টে ভাইকে রিসিভ করলাম। তারপর কেশরহাটে ইফতার মাহফিলে যোগদানের উদ্দেশে রওনা।”
তবে রাইসুল ইসলাম মোহনপুর থানায় করা জামায়াত কর্মী মো. আলাউদ্দিন হত্যা মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি। গত ৭ মার্চ মোহনপুর উপজেলার সাঁকোয়া এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় নিহত হন উপজেলা মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন ও জামায়াত কর্মী আলাউদ্দিন।
ঘটনার পর ওই রাতেই রাইসুল ইসলামসহ চার বিএনপি নেতাকর্মীর বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এ ঘটনায় থানায় আরও দুইটি মামলা করা হয়।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ওসির দায়িত্বে থাকা এসআই মোদাশ্বের হোসেন খান বলেন, আসামিরা পলাতক থাকায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এছাড়া আসামিদের জামিনের কোনো কাগজপত্র তাদের কাছে নেই বলেও জানান তিনি।
বিমানবন্দর ও ইফতার মাহফিলে আসামিদের উপস্থিতির বিষয়ে তিনি বলেন, “বিমানবন্দর মোহনপুর থানার আওতার মধ্যে নয়। আর ইফতার মাহফিলে তারা উপস্থিত ছিলেন কি না, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে কোনো তথ্য নেই।”
এদিকে কেশরহাট পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোখলেসুর রহমান বলেন, “হত্যা মামলার প্রধান আসামি এয়ারপোর্ট থেকে মোহনপুর থানার সামনে দিয়ে ইফতার মাহফিলে গেলেন, আর পুলিশ নাকি তাকে খুঁজে পাচ্ছে না- বিষয়টি আমাদের কাছে বিস্ময়কর। এতে আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।”
এ বিষয়ে শুক্রবার রাতে মোবাইলে রাইসুল ইসলাম বলেন, “মামলায় এখনো তার জামিন হয়নি, তবে হাইকোর্ট থেকে জামিন হয়ে যাবে। জামিন না নিয়েই প্রকাশ্যে সংসদ সদস্যের সঙ্গে থাকা এবং ছবি পোস্ট করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সংবাদটি প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান এবং পরে ফেসবুক থেকে ছবিটি সরিয়ে ফেলেন।
অন্যদিকে এ বিষয়ে সংসদ সদস্য শফিকুল হক মিলন বলেন, “বিমানবন্দরে অনেক নেতাকর্মী ছিলেন। কে তার সঙ্গে সেলফি তুলেছেন, তা তিনি বুঝতে পারেননি।”
তবে জামায়াতকর্মী আলাউদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন দাবি করে সংসদ সদস্য মিলন আরও বলেন, ‘‘হত্যা মামলাটা সঠিক না। আগে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসুক। তারপর জানা যাবে তিনি কিভাবে মারা


















