দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বানিয়েছে বিএনপি
- আপডেট সময় ০৭:৩৭:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / ৩৬ বার পড়া হয়েছে
দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জামায়াত। দলটির অভিযোগ, ভিসি নিয়োগে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, জাতীয় নির্বাচনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাকেও ভিসি নিয়োগ করেছে বিএনপি।
আজ ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) বেলা ২টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানায় জামায়াত। সরকার দলীয় লোকদের ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ৪২টি জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগদান এবং ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে ওই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রিফিং শেষে দলের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, দেশের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য (ভিসি) পরিবর্তনের ক্ষেত্রে যোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে বলে জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি জাতীয় নির্বাচনে সরকারি দল তথা বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীকে ভিসি নিয়োগ করা হয়েছে। এগুলো জুলাই বিপ্লবের স্লোগান ‘কোঠা না মেধা’কে ধারণ করে না। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান পদে পরিবর্তন নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
মাওলানা আবদুল হালিম আরও বলেন, গত ১৫ মার্চ ৪২টি জেলা পরিষদেও প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে দলীয় বিবেচনাই প্রাধান্য পেয়েছে। এর ফলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় নির্বাচনে সুবিধা নেওয়ার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে, যা অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সচল রাখতে হলে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়া জরুরি। দলীয় সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে প্রশাসক নিয়োগ গণতান্ত্রিক চর্চার পরিপন্থী।



















