ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নতুন উপাচার্যের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে

জবি ছাত্রদলের হাতে লাঞ্ছিত দুই শিক্ষক

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা হলেন, সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শরিফুল ইসলাম এবং গনিত বিভাগের অধ্যাপক আবু হানিফ।

এ বিষয়ে গনিত বিভাগের অধ্যাপক আবু হানিফ বলেন, ‘সন্ধ্যা প্রায় সাতটার দিকে নবনিযুক্ত উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমি ক্যাম্পাসে উপস্থিত হলে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল আমার গতিরোধ করেন এবং অপ্রীতিকরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছাত্রদল নেতা সুমন সরদার, জাফরসহ ২০ থেকে ২৫ জনের মতো নেতাকর্মী।’

তিনি বলেন, “তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করেন যে, আমার সঙ্গে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং এ বিষয়ে তার কাছে বিভিন্ন ছবি রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আমাকে দ্বৈত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। আমি এ সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন যে তার কাছে প্রমাণ রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “একপর্যায়ে আমার সঙ্গে থাকা এক সহকর্মী তাকে প্রশ্ন করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে তাকে অপমানজনক ভাষায় সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি আমাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেন এবং জোরপূর্বক আমার বন্ধুর ফোন পরীক্ষা করেন।”

তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে তিনি আমাকে ধাক্কা দেন এবং আমার বন্ধুকেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। “সেই সময়ও আমার বন্ধুকে ঘটনাস্থলে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। পরে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর এজিএসকে বিষয়টি জানালে কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে জানান যে আমার বন্ধুকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি ভিসি স্যারকে অবগত করেছি এবং ক্যাম্পাস খুললে আমি লিখিত অভিযোগ দিব।”

এ বিষয়ে হেনস্তের শিকার হওয়া আরেক শিক্ষক সমাজর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.  শরীফুল ইসলাম বলেন, “হিমেল, সুমন সরদার, জাফর সহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যখন অধ্যাপক ড. আবু হানিফ -এর সাথে খুবই বাজে আচরন করছিলো তখন আমি বিষয়টি প্রতিবাদ করেছি। তখন তারা আমার কাছ থেকেও ফোন কেড়ে নিতে চেয়েছে। একইসাথে আমাদের সাথে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরন করেছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।  আমাদের রাজনৈতিক পরিচয় হিমেল জানার পরও এটা নিয়ে সে জেরা করতে থাকে। পরে আমরা বলেছি আমরা মিলন ভাইয়ের (শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন) রাজনীতি করি। তখন সে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তিমূলক কথা বলেছে। এক পর্যায়ে সে মিলন ভাই সহ আমাদের জামায়াত ট্যাগ দেয় যা আমাদের কাছে খুবই বিব্রতকর ছিলো। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং এ মুহুর্তে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।  আমরা ঘটনার পরপরই উপাচার্যকে জানিয়েছি। দেখি সে কি ব্যবস্থা গ্রহন করে।”

অভিযোগের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ বলেন, “মারধরের অভিযোগটি সত্য নয়। মূলত কর্মচারী নিজামসহ কয়েকজন অনেক আগে আমাদের মিছিলে লাঠি নিয়ে হামলা করেছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই গতকাল ভিসি স্যারের দপ্তরে যাওয়ার সময় সামান্য কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “হানিফ স্যার শাহ আলম নামে একজন বহিরাগতকে নিয়ে এসেছিলেন। তখন আমাদের ছাত্রদলের প্রেসিডেন্ট হিমেল ভাই স্যারকে বলেন, আপনি এলাকায় বিএনপির শিক্ষামন্ত্রী মিলন ভাইয়ের রাজনীতি করেন, আর এখানে জামায়াতের রাজনীতি করেন। হিমেল ভাই এই কথা বললে তার সঙ্গে থাকা এক বন্ধু আমাদের প্রেসিডেন্টকে না চিনেই পাল্টা কথা বলতে থাকে। পরে তার ফোন চেক করে ফেসবুক প্রোফাইলে ছাত্রলীগের পোস্ট পাওয়া যায়। তবে আমরা এ বিষয়ে তাকে তেমন কিছুই বলিনি। আমরা কেবল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের সঙ্গে কথা বলতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক। ছাত্রদল এগুলো কখনই প্রশ্রয় দেয় না। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে ওই ২ শিক্ষক যেভাবে নিজেদের বিএনপিপন্থি দাবি করলেন, আমি ছাত্রদল সভাপতি হিসেবে বলছি, তারা বিএনপিপন্থি না জামায়াতপন্থী। জকসু নির্বাচনে সে ধরনের ভূমিকায় তারা অবতীর্ণ হয়েছিল। আজ বিএনপি ক্ষমতায় তাই তারা নিজেদের বিএনপিপন্থি দাবি করছে। শুধু তাই না, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বলছে তার হাত নাকি অনেক উপরে। শিক্ষক হয়ে এ ধরনের হুমকি কীভাবে দেয়, আমি এর বিচার চাই। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছে ওনার। তাই বলে একজন শিক্ষক হয়ে এভাবে হুমকি দিতে পারেন না।

এ ঘটনার বিষয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড রইস উদ্দিন বলেন, “গতকাল হানিফ আমার কাছে এসেছিল। আমি শুনেছি এই ধরনের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এটি কোনভাবে কাম্য নয়। আমরা সবাই মিলে মিলেমিশে থাকতে চাই।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন উপাচার্যের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠানে

জবি ছাত্রদলের হাতে লাঞ্ছিত দুই শিক্ষক

আপডেট সময় ১১:৩৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নবনিযুক্ত উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার (১৭ মার্চ ২০২৬) সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা হলেন, সমাজকর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শরিফুল ইসলাম এবং গনিত বিভাগের অধ্যাপক আবু হানিফ।

এ বিষয়ে গনিত বিভাগের অধ্যাপক আবু হানিফ বলেন, ‘সন্ধ্যা প্রায় সাতটার দিকে নবনিযুক্ত উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে আমি ক্যাম্পাসে উপস্থিত হলে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল আমার গতিরোধ করেন এবং অপ্রীতিকরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ছাত্রদল নেতা সুমন সরদার, জাফরসহ ২০ থেকে ২৫ জনের মতো নেতাকর্মী।’

তিনি বলেন, “তিনি আমাকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করেন যে, আমার সঙ্গে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং এ বিষয়ে তার কাছে বিভিন্ন ছবি রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আমাকে দ্বৈত রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে অভিযুক্ত করেন। আমি এ সংক্রান্ত কোনো প্রমাণ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন যে তার কাছে প্রমাণ রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “একপর্যায়ে আমার সঙ্গে থাকা এক সহকর্মী তাকে প্রশ্ন করলে তিনি উত্তেজিত হয়ে তাকে অপমানজনক ভাষায় সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি আমাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার হুমকি দেন এবং জোরপূর্বক আমার বন্ধুর ফোন পরীক্ষা করেন।”

তিনি আরও বলেন, “পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে তিনি আমাকে ধাক্কা দেন এবং আমার বন্ধুকেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। “সেই সময়ও আমার বন্ধুকে ঘটনাস্থলে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। পরে কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর এজিএসকে বিষয়টি জানালে কিছুক্ষণ পর তিনি আমাকে জানান যে আমার বন্ধুকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।”

এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বিষয়টি ভিসি স্যারকে অবগত করেছি এবং ক্যাম্পাস খুললে আমি লিখিত অভিযোগ দিব।”

এ বিষয়ে হেনস্তের শিকার হওয়া আরেক শিক্ষক সমাজর্ম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড.  শরীফুল ইসলাম বলেন, “হিমেল, সুমন সরদার, জাফর সহ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যখন অধ্যাপক ড. আবু হানিফ -এর সাথে খুবই বাজে আচরন করছিলো তখন আমি বিষয়টি প্রতিবাদ করেছি। তখন তারা আমার কাছ থেকেও ফোন কেড়ে নিতে চেয়েছে। একইসাথে আমাদের সাথে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরন করেছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।  আমাদের রাজনৈতিক পরিচয় হিমেল জানার পরও এটা নিয়ে সে জেরা করতে থাকে। পরে আমরা বলেছি আমরা মিলন ভাইয়ের (শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন) রাজনীতি করি। তখন সে শিক্ষামন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তিমূলক কথা বলেছে। এক পর্যায়ে সে মিলন ভাই সহ আমাদের জামায়াত ট্যাগ দেয় যা আমাদের কাছে খুবই বিব্রতকর ছিলো। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং এ মুহুর্তে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতেছি।  আমরা ঘটনার পরপরই উপাচার্যকে জানিয়েছি। দেখি সে কি ব্যবস্থা গ্রহন করে।”

অভিযোগের বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ বলেন, “মারধরের অভিযোগটি সত্য নয়। মূলত কর্মচারী নিজামসহ কয়েকজন অনেক আগে আমাদের মিছিলে লাঠি নিয়ে হামলা করেছিল। সেই ক্ষোভ থেকেই গতকাল ভিসি স্যারের দপ্তরে যাওয়ার সময় সামান্য কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “হানিফ স্যার শাহ আলম নামে একজন বহিরাগতকে নিয়ে এসেছিলেন। তখন আমাদের ছাত্রদলের প্রেসিডেন্ট হিমেল ভাই স্যারকে বলেন, আপনি এলাকায় বিএনপির শিক্ষামন্ত্রী মিলন ভাইয়ের রাজনীতি করেন, আর এখানে জামায়াতের রাজনীতি করেন। হিমেল ভাই এই কথা বললে তার সঙ্গে থাকা এক বন্ধু আমাদের প্রেসিডেন্টকে না চিনেই পাল্টা কথা বলতে থাকে। পরে তার ফোন চেক করে ফেসবুক প্রোফাইলে ছাত্রলীগের পোস্ট পাওয়া যায়। তবে আমরা এ বিষয়ে তাকে তেমন কিছুই বলিনি। আমরা কেবল তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেলের সঙ্গে কথা বলতে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা অনাকাঙ্ক্ষিত, দুঃখজনক। ছাত্রদল এগুলো কখনই প্রশ্রয় দেয় না। কিন্তু সংবাদমাধ্যমে ওই ২ শিক্ষক যেভাবে নিজেদের বিএনপিপন্থি দাবি করলেন, আমি ছাত্রদল সভাপতি হিসেবে বলছি, তারা বিএনপিপন্থি না জামায়াতপন্থী। জকসু নির্বাচনে সে ধরনের ভূমিকায় তারা অবতীর্ণ হয়েছিল। আজ বিএনপি ক্ষমতায় তাই তারা নিজেদের বিএনপিপন্থি দাবি করছে। শুধু তাই না, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বলছে তার হাত নাকি অনেক উপরে। শিক্ষক হয়ে এ ধরনের হুমকি কীভাবে দেয়, আমি এর বিচার চাই। নেতাকর্মীদের সঙ্গে কিছু কথা কাটাকাটি হয়েছে ওনার। তাই বলে একজন শিক্ষক হয়ে এভাবে হুমকি দিতে পারেন না।

এ ঘটনার বিষয়ে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড রইস উদ্দিন বলেন, “গতকাল হানিফ আমার কাছে এসেছিল। আমি শুনেছি এই ধরনের একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এটি কোনভাবে কাম্য নয়। আমরা সবাই মিলে মিলেমিশে থাকতে চাই।”