ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি চাল পাচারকালে সাবেক ছাত্রদল নেতা আটক

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • / ২৪ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে দীর্ঘদিন ধরে নয়-ছয় করে আসছিলেন ডিলার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী রতন। গত কয়েক দিন ধরে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে এলাকায় সমালোচনা শুরু হয়েছিল।

অবশেষে গত রোববার বিকেলে তিন বস্তা চাল হবিগঞ্জ শহরে পাচারের সময় সেনাবাহিনী তাকে হাতেনাতে আটক করে। জাকারিয়া চৌধুরী রতন করাব গ্রামের মৃত কছির মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাকারিয়া চৌধুরী ডিলার নিয়োগের পর থেকে অনিয়ম করে আসছিলেন। তিনি সুবিধাভোগীদের মধ্যে নিয়মিত চাল বিতরণ না করে প্রায়ই আত্নসাৎ করতেন।

এর আগেও তিনি চাল হবিগঞ্জ শহরে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত রোববার বিকালে তিনি করাব গ্রামের কদমতলী এলাকা থেকে টমটম (ইজিবাইক) দিয়ে তিন বস্তা চাল পাচার করতে গেলে সেনাবাহিনী তাকে হাতেনাতে আটক করে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আরো চাল কোথাও আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। আমরা তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

সরকারি চাল পাচারকালে সাবেক ছাত্রদল নেতা আটক

আপডেট সময় ০৩:২৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের লাখাইয়ে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে দীর্ঘদিন ধরে নয়-ছয় করে আসছিলেন ডিলার জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া চৌধুরী রতন। গত কয়েক দিন ধরে তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগে এলাকায় সমালোচনা শুরু হয়েছিল।

অবশেষে গত রোববার বিকেলে তিন বস্তা চাল হবিগঞ্জ শহরে পাচারের সময় সেনাবাহিনী তাকে হাতেনাতে আটক করে। জাকারিয়া চৌধুরী রতন করাব গ্রামের মৃত কছির মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাকারিয়া চৌধুরী ডিলার নিয়োগের পর থেকে অনিয়ম করে আসছিলেন। তিনি সুবিধাভোগীদের মধ্যে নিয়মিত চাল বিতরণ না করে প্রায়ই আত্নসাৎ করতেন।

এর আগেও তিনি চাল হবিগঞ্জ শহরে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত রোববার বিকালে তিনি করাব গ্রামের কদমতলী এলাকা থেকে টমটম (ইজিবাইক) দিয়ে তিন বস্তা চাল পাচার করতে গেলে সেনাবাহিনী তাকে হাতেনাতে আটক করে।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুরাদ ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আরো চাল কোথাও আছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। আমরা তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেব।’