ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে তেল ব্যবসায়ীর হামলায় দুই ছাত্রদল নেতা আহত

নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৩৫ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরে একটি দোকানে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি সংবাদ পেয়ে জানতে গিয়ে বেদম পিটুনির শিকার হলেন ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হামালার শিকার হয়েছে ছাত্রদলের আরেক নেতা আল-আমীন হোসেন রুদ্র। তারা দুজনে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ছাত্রদলের দুই নেতা তাদের ওপর হামলার বর্ণনা তুলে ধরেন গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে।

এর-আগে, দুপুরে সদর উপজেলার দালাল বাজার মোরগ হাঁটা তোফায়েল আহমেদের তেলের দোকানের সামনে হামলার শিকার হন ছাত্রদলের দুই নেতা। ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলের দ্বিতীয় বর্ষের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আল-আমীন হোসেন রুদ্র উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ইমন ও রুদ্র জানান, বেলা ১১টার দিকে ইমন দালাল বাজার তোফায়েলের তেলের দোকানে তেলের কিনতে যান। গিয়ে জানতে পারেন প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১’শ ৩০-৪০ টাকা করা হয়। সরকারি নির্ধারিত দাম হচ্ছে ১’শ ১৬ টাকা। তেল দোকানদার তোফায়েলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে একপর্যায়ে তার ছেলে জিহাদ ও তার অনুসারীরা এসে ইমনকে বেদম মারধর করে। খবর পেয়ে ইমনকে উদ্ধার করতে আসলে হামলাকারীরা ছাত্রদল নেতা রুদ্রকেও বেদম মারধর করে। ভাঙচুর করা হয় তাদের দুইটি মোটরসাইকেল।

সদর উপজেলা (পশ্চিম) ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করাই। প্রতিবাদ করে ছাত্রদলের ইমন। ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানদার তোফায়েল ছেলে জিহাদ তার অনুসারীদের নিয়ে ইমনকে বেদম মারধর করে। খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা রুদ্র গেলে তারা রুদ্রকেও মারধর করে। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি।
অভিযোগের বিষয়ে দোকানদার তোফায়েলের ছেলে জিহাদ বলেন, ইমনকে মারধরের বিষয়টি সত্য নয়। আমরা নিয়ম মাফিক তেল বিক্রি করছি। অনেক মানুষ সিরিয়ালে তেল নিচ্ছে। ইমন এসে বিশৃঙ্খলা করেছে। উত্তেজিত পাবলিক তাকে কিছু করেছে কিনা আমাদের জানা নেই।

দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মুঠোফোন জানান, ঘটনার সময় আমার আদালতে একটি বৈঠক চলছে। তখন একটা ফোন আসে এক ছেলেকে একাধিক যুবক ধাওয়া করছে। ছেলেটা গিয়ে একটি ঘরে আশ্রয় নেয়। পরিষদ থেকে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানানো হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বলেন, বিষয়টি জানা নেই৷ কেউ অভিযোগও করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুরে তেল ব্যবসায়ীর হামলায় দুই ছাত্রদল নেতা আহত

আপডেট সময় ১০:৪৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে একটি দোকানে অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি সংবাদ পেয়ে জানতে গিয়ে বেদম পিটুনির শিকার হলেন ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে হামালার শিকার হয়েছে ছাত্রদলের আরেক নেতা আল-আমীন হোসেন রুদ্র। তারা দুজনে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।বুধবার (১ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ছাত্রদলের দুই নেতা তাদের ওপর হামলার বর্ণনা তুলে ধরেন গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে।

এর-আগে, দুপুরে সদর উপজেলার দালাল বাজার মোরগ হাঁটা তোফায়েল আহমেদের তেলের দোকানের সামনে হামলার শিকার হন ছাত্রদলের দুই নেতা। ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক ইমন দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলের দ্বিতীয় বর্ষের যুগ্ম আহ্বায়ক ও আল-আমীন হোসেন রুদ্র উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত ইমন ও রুদ্র জানান, বেলা ১১টার দিকে ইমন দালাল বাজার তোফায়েলের তেলের দোকানে তেলের কিনতে যান। গিয়ে জানতে পারেন প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ১’শ ৩০-৪০ টাকা করা হয়। সরকারি নির্ধারিত দাম হচ্ছে ১’শ ১৬ টাকা। তেল দোকানদার তোফায়েলের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথাকাটাকাটি হলে একপর্যায়ে তার ছেলে জিহাদ ও তার অনুসারীরা এসে ইমনকে বেদম মারধর করে। খবর পেয়ে ইমনকে উদ্ধার করতে আসলে হামলাকারীরা ছাত্রদল নেতা রুদ্রকেও বেদম মারধর করে। ভাঙচুর করা হয় তাদের দুইটি মোটরসাইকেল।

সদর উপজেলা (পশ্চিম) ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান মিজান বলেন, অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করাই। প্রতিবাদ করে ছাত্রদলের ইমন। ক্ষিপ্ত হয়ে দোকানদার তোফায়েল ছেলে জিহাদ তার অনুসারীদের নিয়ে ইমনকে বেদম মারধর করে। খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা রুদ্র গেলে তারা রুদ্রকেও মারধর করে। আমরা এ ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি।
অভিযোগের বিষয়ে দোকানদার তোফায়েলের ছেলে জিহাদ বলেন, ইমনকে মারধরের বিষয়টি সত্য নয়। আমরা নিয়ম মাফিক তেল বিক্রি করছি। অনেক মানুষ সিরিয়ালে তেল নিচ্ছে। ইমন এসে বিশৃঙ্খলা করেছে। উত্তেজিত পাবলিক তাকে কিছু করেছে কিনা আমাদের জানা নেই।

দালাল বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মুঠোফোন জানান, ঘটনার সময় আমার আদালতে একটি বৈঠক চলছে। তখন একটা ফোন আসে এক ছেলেকে একাধিক যুবক ধাওয়া করছে। ছেলেটা গিয়ে একটি ঘরে আশ্রয় নেয়। পরিষদ থেকে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানানো হয়েছে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত বলেন, বিষয়টি জানা নেই৷ কেউ অভিযোগও করেনি।