সপ্তাহে একদিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের
- আপডেট সময় ০২:১১:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
- / ৩০ বার পড়া হয়েছে
চলমান জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় দেশের সব মহানগরীর স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি অলটারনেটিভ দিনে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের পরিকল্পনা করা হলেও আপাতত সপ্তাহে একদিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একটি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে আপাতত সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস করার বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। স্কুল-কলেজের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হতে পারে। আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে রাত সাড়ে ৮টায় মন্ত্রিপরিষদের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করা হতে পারে।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, ‘আপাতত একদিন অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তীতে অনলাইন ক্লাসের পরিধি বৃদ্ধি করা হতে পারে।’
এর আগে গতকাল বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক নেতাদের সাথে আলোচনায় বসেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ওই সভায় প্রতিটি অলটারনেটিভ দিনে অনলাইন ক্লাসের পরিকল্পনার কথা জানান। তবে এ সময় শিক্ষকরা অনলাইন ক্লাস নেওয়া কষ্টসাধ্য বলে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
আলোচনা সভা সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী প্রাথমিকভাবে ছয় দিন ক্লাস রেখে এর মধ্যে জোড়-বিজোড় মিলিয়ে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর পাঠদানের পরিকল্পনার কথা জানান। অর্থাৎ শনিবার যদি অনলাইন ক্লাস হয়, তাহলে রবিবার অফলাইন ক্লাস হবে। এভাবে একদিন অনলাইন ক্লাস হলে তার পরদিন সশরীর ক্লাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মন্ত্রীর এমন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার পর শিক্ষকরা অনলাইন ক্লাসের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন। তারা জানান, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ডিভাইস ব্যবহার করতে জানে না। অনেক পরিবারের পক্ষে শিশু শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করা সম্ভব হবে না। এ সময় শিক্ষকদের অনেকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে অনলাইন ক্লাসের ডিভাইসের ব্যবস্থা করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘আপনারা একদিন অপেক্ষা করুন। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সিদ্ধান্ত জানতে পারবেন।’













