খাসজমিতে মহিষ চরাতেও চাঁদা দিতে হয় ছাত্রদল নেতাকে
- আপডেট সময় ০৭:২৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
- / ২৩ বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীর বাউফলে খাসজমিতে মহিষ চরাতে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাঈনউদ্দিন নামে এক সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লালচর এলাকার।
স্থানীয় মহিষ পালনকারীদের অভিযোগ, লালচর এলাকার খাসজমিতে মহিষ চরাতে প্রতিটি মহিষের জন্য ২০০ টাকা করে দিতে হচ্ছে। টাকা না দিলে এলাকায় মহিষ চরাতে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।
মহিষ পালনকারী রেজাউল খাঁ বলছেন, বিগত দিনে লালচরের খাসজমিতে আমরা মহিষ চরাতাম। মাঈনউদ্দিন আমাদের বলেছেন, মহিষপ্রতি ২০০ টাকা না দিলে ঘাস খাওয়াতে দেওয়া হবে না। পরে স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে মহিষপ্রতি ২০০ টাকা করে দিয়েছেন। এভাবে ৪৭৮টি মহিষের টাকা নেওয়া হয়েছে।
আরেক মহিষ পালনকারী ইদ্রিস দালাল বলেছেন, চরাঞ্চলের খাসজমিতে ঘাস খাওয়ানোর ওপর নির্ভর করেই অনেকে দীর্ঘদিন ধরে মহিষ পালন করে আসছেন। এভাবে টাকা দিতে হলে তাদের খরচ বেড়ে যায় এবং মহিষ পালন করে লাভ করা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, লালচর এলাকায় খাসজমিতে মহিষ চরানোকে কেন্দ্র করে টাকা আদায়ের বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। খাসজমিতে মহিষ চরানোর জন্য এভাবে টাকা নেওয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে মাঈনউদ্দিন বলেছেন, আমি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ছিলাম। ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা এ বিষয়ে সালিশের ব্যবস্থা করছেন। মাছ ধরার চাই ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় জরিমানা হিসেবে টাকা নেওয়া হয়েছে। আমার নিজের মহিষের জন্যও জরিমানা দিয়েছি।
তিনি উল্লেখ করেন, তারা বিষয়টি অন্যদিকে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মোস্তফা ফকির ও জামাল মাঝি সালিশ করেছেন। আমার কাছে টাকা রাখতে বলায় আমি টাকা রেখেছি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















