দেশের সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০৭:০৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১৮ বার পড়া হয়েছে
দেশের সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন অতিদ্রুত এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। অতি দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শূন্য পদে পদায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো: নূরুল ইসলাম বুলবুলের টেবিল উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা জানান।
এর আগে মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল জানে চান, দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে বর্তমানে শূন্য পদে চিকিৎসক ও নার্স দ্রুত পদায়ন এবং গ্রামীণ ও মফস্বল হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত এবং বদলী বাণিজ্য রোধে সরকার বর্তমান কী ধরনের কঠোর ও যুগোপযোগী মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে?
জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বিসিএসের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নতুন চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৪৪তম বিসিএস এর মাধ্যমে ৯৮ জন সহকারী সার্জন ও ২২ জন ডেন্টাল সার্জন এবং ৪৮তম বিসিএসের মাধ্যমে ২,৯৮৪ জন সহকারী সার্জন ও ২৭৯ জন ডেন্টাল সার্জন নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ৪৫তম বিসিএসে ৪৫০ জন, ৪৬তম বিসিএসে ১৬৮২ জন, ৪৭তম বিসিএসে ১৩৩১ ও ৫০তম বিসিএসে ৬৫০টি সহকারী সার্জন নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৩৯৪টি শূন্যপদের বিপরিতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন থেকে ৮২৮ জন সিনিয়র স্টাফ নার্স সরাসরি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে এবং ১৫৬৬টি সিনিয়র স্টাফ নার্সের শূন্য পদে নিয়োগের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
মিডওয়াইফের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে সম্প্রতি পাবলিক সার্ভিস কমিশন থেকে ৫৯৮ জন মিডওয়াইফ পদায়নের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া সাপেক্ষে পদায়ন করা হবে।
এছাড়া বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন অতিদ্রুত এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেয়া হবে। অতি দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শূন্য পদে পদায়ন করা হবে।
চিকিৎসকসহ অন্যান্য জনবলের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতের জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করা হয়েছে। বদলিবাণিজ্য রোধে বর্তমান সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ অবস্থানে আছে।



















