ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাতভর অপেক্ষা, সকালে শাটার ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় একটি ডিলার পয়েন্টে ‘হট্টগোল’ করে সার লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে সার লুটের ঘটনা অস্বীকার করছে স্থানীয় প্রশাসন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নের মহিলা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিলা কলেজ মোড়ের ‘মিতা হাসান ট্রেডার্স’ নামে সার গুদাম ঘরের সামনে গতকাল রবিবার মধ্যরাত থেকে সারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে কৃষকরা। আজ সকাল ৯টার দিকে ডিলারের মতিউর রহমান কৃষকদের জানান, পুলিশ এনে সার বিতরণ করা হবে।

তবে প্রায় ২ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কেউ না আসায় উত্তেজিত কৃষকরা গুদাম ঘরের শাটার ভেঙে প্রায় ১৫০টি সারের বস্তা নিয়ে যায়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও সার ডিলার মতিউর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম বসুনিয়া জানান, সার লুটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণভাবে বিতরণ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে রৌমারী সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রাসেল কবির জানান, সার লুটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। অনেক ভ্যান, রিকশা চালক ও কৃষক নয়– এমন লোকজন সার নিতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা সার সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির পাঁয়তারা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাতভর অপেক্ষা, সকালে শাটার ভেঙে শতাধিক বস্তা সার লুট

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় একটি ডিলার পয়েন্টে ‘হট্টগোল’ করে সার লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে সার লুটের ঘটনা অস্বীকার করছে স্থানীয় প্রশাসন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বন্দবের ইউনিয়নের মহিলা কলেজ মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মহিলা কলেজ মোড়ের ‘মিতা হাসান ট্রেডার্স’ নামে সার গুদাম ঘরের সামনে গতকাল রবিবার মধ্যরাত থেকে সারের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে কৃষকরা। আজ সকাল ৯টার দিকে ডিলারের মতিউর রহমান কৃষকদের জানান, পুলিশ এনে সার বিতরণ করা হবে।

তবে প্রায় ২ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কেউ না আসায় উত্তেজিত কৃষকরা গুদাম ঘরের শাটার ভেঙে প্রায় ১৫০টি সারের বস্তা নিয়ে যায়। ওই ঘটনার একটি ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেও সার ডিলার মতিউর রহমানের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহাবুবুল আলম বসুনিয়া জানান, সার লুটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। শান্তিপূর্ণভাবে বিতরণ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে রৌমারী সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রাসেল কবির জানান, সার লুটের কোনো ঘটনা ঘটেনি। অনেক ভ্যান, রিকশা চালক ও কৃষক নয়– এমন লোকজন সার নিতে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। তারা সার সংগ্রহ করে বেশি দামে বিক্রির পাঁয়তারা করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।