ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংকটে জর্জরিত হাবিপ্রবির টিএসসি, শিক্ষার্থীদের দুষছেন ছাত্র উপদেষ্টা

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৭:০২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৪২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) টিএসসি ও সংলগ্ন ক্যাফেটেরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ৫ তলা বিশিষ্ট টিএসসির মাত্র একটি তলা বরাদ্দ থাকায় জায়গা সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকা, অপরিষ্কার ওয়াশরুম। এছাড়াও বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, টিএসসি ও ক্যাফেটেরিয়ায় সহজলভ্য খাবার পানির ব্যবস্থা না থাকায় তাদের ভোগান্তি বাড়ছে। বিশেষ করে টিএসসিতে জায়গা সংকট, চেয়ার সংকট, অপরিষ্কার ওয়াশরুম এবং ক্যাফেটেরিয়ার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান বলেন, “টিএসসি সম্পর্কে বলার কিছু নাই। ছাত্র-ছাত্রীরা টিএসসি থেকে চেয়ার চুরি করে নিয়ে যায়। পানির ব্যবস্থা করে দিলে পরে পানির সরঞ্জামও তুলে নিয়ে যাবে।”

টিএসসির দরজা ও এসি ব্যবহারের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ছাত্ররা আমার সাথে কমিট করছে—টিএসসির দরজা খুলে রাখতে পারবে না। এসি লাগিয়ে দিলাম, সারাদিন খোলা রাখে। এজন্য আমি ভাবছি প্রশাসনের সাথে কথা বলে টিএসসির এসিগুলো খুলে ল্যাবে লাগিয়ে দেওয়ার।”

পানির সরবরাহ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, “পানির বিষয়ে বহু পরিকল্পনাই আছে, ছাত্ররা যদি সিভিলাইজ না হয় তাহলে কোনো পরিকল্পনাই কাজে লাগবে না।”

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সংকটে জর্জরিত হাবিপ্রবির টিএসসি, শিক্ষার্থীদের দুষছেন ছাত্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৭:০২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) টিএসসি ও সংলগ্ন ক্যাফেটেরিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটে ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় ১২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ৫ তলা বিশিষ্ট টিএসসির মাত্র একটি তলা বরাদ্দ থাকায় জায়গা সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকা, অপরিষ্কার ওয়াশরুম। এছাড়াও বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, টিএসসি ও ক্যাফেটেরিয়ায় সহজলভ্য খাবার পানির ব্যবস্থা না থাকায় তাদের ভোগান্তি বাড়ছে। বিশেষ করে টিএসসিতে জায়গা সংকট, চেয়ার সংকট, অপরিষ্কার ওয়াশরুম এবং ক্যাফেটেরিয়ার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. এস. এম. এমদাদুল হাসান বলেন, “টিএসসি সম্পর্কে বলার কিছু নাই। ছাত্র-ছাত্রীরা টিএসসি থেকে চেয়ার চুরি করে নিয়ে যায়। পানির ব্যবস্থা করে দিলে পরে পানির সরঞ্জামও তুলে নিয়ে যাবে।”

টিএসসির দরজা ও এসি ব্যবহারের প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “ছাত্ররা আমার সাথে কমিট করছে—টিএসসির দরজা খুলে রাখতে পারবে না। এসি লাগিয়ে দিলাম, সারাদিন খোলা রাখে। এজন্য আমি ভাবছি প্রশাসনের সাথে কথা বলে টিএসসির এসিগুলো খুলে ল্যাবে লাগিয়ে দেওয়ার।”

পানির সরবরাহ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, “পানির বিষয়ে বহু পরিকল্পনাই আছে, ছাত্ররা যদি সিভিলাইজ না হয় তাহলে কোনো পরিকল্পনাই কাজে লাগবে না।”