পাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পেটানো ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ
- আপডেট সময় ০৭:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ১১ বার পড়া হয়েছে
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সজীব প্রামাণিকের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধর, হুমকি ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সজীবের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী।
ভুক্তভোগী বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের ১৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। পাশাপাশি তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে সজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয় বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই সজীবের সঙ্গে তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। সজীব বিয়ের পর ও অন্য এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মেয়ে যখন জানতে পারে সজিব বিবাহিত মেয়ে তখন আমাকে সব বলে দেয়। এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলায় উল্টো তাকে দোষারোপ করা হয়। এ ছাড়া তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব শেষ করে দেওয়া, চাকরি খেয়ে দেওয়াসহ ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ভুক্তভোগী বলেন, ‘গতকাল রাত ১টার দিকে সজীব, তার বাবা ও মা মিলে আমাকে মারধর করেন। এ সময় সজীব আমাকে কিল-ঘুষি ও বুকে-পেটে লাথি মারা হয়। পরে সকালে আমার বাবা-মা আমাকে নিতে এলে আমি বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সজীবের মা বটি নিয়ে আমাকে কোপ দিতে আসেন। আমি হাত দিয়ে থামাতে গেলে তা আমার হাতে কোপ লাগে। বিষয়টা নিয়ে আমরা থানায় মামলা করবো।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সজীবের পরিবারের অভাব-অনটনের থাকায় সোনালী ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করে দেওয়ার জন্যও তাকে চাপ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, এর আগেও প্রায় দুই মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগেটে সজীব তাকে মারধর করেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা সজীবকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান বলে জানান তিনি।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সজীব প্রামাণিক। তিনি বলেন, ‘আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ওর হাতে কেউ কোপ দেয়নি। আমার এলাকার প্রতিবেশীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ও বের হওয়ার সময় গেটের সঙ্গে ওর হাত কেটে যায়।’
হুমকি দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করে সজীব বলেন, ‘আমি তাকে কোনো হুমকি দিইনি। গত রাতে আমাদের দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় এবং হাতাহাতিও হয়েছে। সেও আমার গায়ে হাত তুলেছে। পরে আমার বাবা-মা এসে আমাদের দুজনকে থামান। আমার মা-বাবা তার গায়ে হাত দেননি। আর আমি লোন করে কোন টাকা দিতে বলিনি ও নিজে থেকেই আমাকে দিতে চেয়েছে।’
ছাত্রদলের সভাপতি শেখ মোজাহিদ হোসেন জানান, এই বিষয়টি আমি মাত্র আপনার থেকে জানতে পারলাম। আমাদের কমিটি গঠনের সময় ও বিবাহিত কেউ ছিলো না। যদি আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসে। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






















