ঢাকা ০১:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ডাকসুর প্রস্তাবে সায় বিসিবির

মাঠে গড়াচ্ছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:১৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • / ১৭ বার পড়া হয়েছে

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট চালুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই দেশের প্রায় ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে এবং টুর্নামেন্টে ভালো সাড়া পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ক্রিকেট বোর্ড।

মূলত তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেট কাঠামোকে শক্তিশালী করা এবং প্রচলিত কাঠামোর বাইরে থাকা উদীয়মান ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতামূলক সুযোগ করে দেওয়ার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হতে পারে। তবে বিসিবির উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হওয়ার কথা থাকলেও এর পেছনে অন্যতম অবদান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ক্রাড়ী সম্পাদক আরমান হোসেনের।

গত ১৯ জানুয়ারি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিসিবির উদ্যোগে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চালু করার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন ডাকসুর এই ক্রীড়া সম্পাদক। একইসঙ্গে বিসিবির পূর্বঘোষিত মাদ্রাসা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দ্রুত শুরু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলেন তিনি।

জানা গেছে, আগামী এপ্রিলের শেষদিকে আয়োজিত হতে পারে ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট’। সূত্র বলছে, ১৬–২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজনের প্রত্যাশায় দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থাটি।

এ নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শনিবার (২৮ মার্চ) ডাকসু ক্রাড়ী সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, রমজানের কারণে টুর্নামেন্টটি কিছুটা পিছিয়েছে। এপ্রিলের শেষদিকে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াতে পারে। গত শুক্রবারও (২৭ মার্চ) এ নিয়ে বিসিবির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে।

এদিকে এই টুর্নামেন্টের সবকটি ম্যাচই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন মাঠে আয়োজন করা হবে। গ্রুপপর্ব ও নকআউট ফরম্যাটে গড়াবে এই টুর্নামেন্ট। অংশগ্রহণকারী দল বিবেচনায় চারটি গ্রুপে দলগুলোকে ভাগ করা হতে পারে।

এ নিয়ে আরমানের ভাষ্য, ঢাবির বিভিন্ন মাঠে ম্যাচগুলো আয়োজিত হবে। বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে সাড়া দিয়েছেন। অনেকে আবার সময় কিছুটা বাড়ানোর জন্যও আবেদন করেছেন।

অন্যদিকে এপ্রিলের শেষদিকে এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হওয়ায় কথা থাকলেও এখনও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় এই টুর্নামেন্টের বাজেট। বিসিবি সূত্র বলছে, চলতি সপ্তাহে বিসিবি সভাপতি বুলবুল দেশে ফিরলেই আলোর মুখ দেখতে পারে এই টুর্নামেন্ট। একইসঙ্গে ধারণা করা হচ্ছে, এই টুর্নামেন্ট অনুমোদন চূড়ান্ত পেলে বিসিবির সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সংগঠিত ক্রিকেটের পুনরাগমন ঘটবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ডাকসুর প্রস্তাবে সায় বিসিবির

মাঠে গড়াচ্ছে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট

আপডেট সময় ১০:১৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট চালুর পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই দেশের প্রায় ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে এবং টুর্নামেন্টে ভালো সাড়া পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী ক্রিকেট বোর্ড।

মূলত তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেট কাঠামোকে শক্তিশালী করা এবং প্রচলিত কাঠামোর বাইরে থাকা উদীয়মান ক্রিকেটারদের প্রতিযোগিতামূলক সুযোগ করে দেওয়ার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হতে পারে। তবে বিসিবির উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হওয়ার কথা থাকলেও এর পেছনে অন্যতম অবদান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ক্রাড়ী সম্পাদক আরমান হোসেনের।

গত ১৯ জানুয়ারি বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিসিবির উদ্যোগে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চালু করার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন ডাকসুর এই ক্রীড়া সম্পাদক। একইসঙ্গে বিসিবির পূর্বঘোষিত মাদ্রাসা ক্রিকেট টুর্নামেন্ট দ্রুত শুরু করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলেন তিনি।

জানা গেছে, আগামী এপ্রিলের শেষদিকে আয়োজিত হতে পারে ‘আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট’। সূত্র বলছে, ১৬–২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্টটি আয়োজনের প্রত্যাশায় দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থাটি।

এ নিয়ে দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে শনিবার (২৮ মার্চ) ডাকসু ক্রাড়ী সম্পাদক আরমান হোসেন বলেন, রমজানের কারণে টুর্নামেন্টটি কিছুটা পিছিয়েছে। এপ্রিলের শেষদিকে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াতে পারে। গত শুক্রবারও (২৭ মার্চ) এ নিয়ে বিসিবির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে।

এদিকে এই টুর্নামেন্টের সবকটি ম্যাচই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিভিন্ন মাঠে আয়োজন করা হবে। গ্রুপপর্ব ও নকআউট ফরম্যাটে গড়াবে এই টুর্নামেন্ট। অংশগ্রহণকারী দল বিবেচনায় চারটি গ্রুপে দলগুলোকে ভাগ করা হতে পারে।

এ নিয়ে আরমানের ভাষ্য, ঢাবির বিভিন্ন মাঠে ম্যাচগুলো আয়োজিত হবে। বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে সাড়া দিয়েছেন। অনেকে আবার সময় কিছুটা বাড়ানোর জন্যও আবেদন করেছেন।

অন্যদিকে এপ্রিলের শেষদিকে এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হওয়ায় কথা থাকলেও এখনও চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় এই টুর্নামেন্টের বাজেট। বিসিবি সূত্র বলছে, চলতি সপ্তাহে বিসিবি সভাপতি বুলবুল দেশে ফিরলেই আলোর মুখ দেখতে পারে এই টুর্নামেন্ট। একইসঙ্গে ধারণা করা হচ্ছে, এই টুর্নামেন্ট অনুমোদন চূড়ান্ত পেলে বিসিবির সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সংগঠিত ক্রিকেটের পুনরাগমন ঘটবে।