ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
অনুমতি দেয়া হোক বা না হোক

শাপলা চত্বরেই সমাবেশ করবে জামায়াত ইসলামী

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
  • / ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার দুপুর ২টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন উপকমিটির এক বৈঠক আজ বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুর রহমান মুসা, মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় নেতা ড. হেলাল উদ্দিন, মাহফুজুর রহমান, নাজিমুদ্দিন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, দেলাওয়ার হোসেন, আতাউর রহমান সরকার, আব্দুস সালাম, মুহিবুল্লাহ, নাসির উদ্দীন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, দেশের সংবিধান মোতাবেক আমরা সব কর্মসূচি পালনের অধিকার রাখি। ক্ষমতাসীনদের দীর্ঘ পনেরো বছরের দুঃশাসনে দেশের জনগণ চরম অতিষ্ঠ। চাল, ডাল, তৈল, আলু, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, গ্যাস সবকিছুর মূল্য আকাশচুম্বি এবং তা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। দেশের মানুষের জীবনযাত্রা আজ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় আমরা জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি।

তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার দুপুর ২টায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এই মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা বিশৃংখলা চাই না, শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি। মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব এটা সচেতন দেশবাসী মনে করে।

তিনি আরও বলেন, ভোট ডাকাতি, দখলদারি, গুম, খুন, দুঃশাসন এবং বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দেশ গভীর সংকটে পড়েছে। দেশের মানুষ এই ব্যর্থ সরকারের কবল থেকে মুক্তি চায়, জনগণ জুলুমবাজদের কবল থেকে মুক্তি চায়। আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আজ দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। শুধু তাই নয়, গোটা বিশ্ব আজ আওয়ামী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে।

বুলবুল বলেন, রাজপথের কর্মসূচিতে সরকারের বাধা আছে কিনা- তাও এখন আন্তর্জাতিক বিশ্ব জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। আজ সবাই বুঝে গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকারের অধীনে এ দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কেয়ারটেকার সরকারের মাধ্যমে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের ব্যর্থতায় আজকে পুরো জাতির উপরে স্যাংশন, ভিসা নীতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জার।

তিনি বলেন, জনগণের মুক্তির জন্য, দেশকে অপশাসন ও দুঃশাসন হতে মুক্ত করতে আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার জামায়াতের মহাসমাবেশ। যে শাপলা চত্বরে মুসলিম তৌহিদী জনতার রক্ত মিশে আছে। সেই পবিত্র স্থানেই আমরা সমাবেশ করতে চাই। ফলে ইসলাম, মানবতা এবং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই সমাবেশকে একটি মাইলফলক হিসেবে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। ধৈর্য এবং শৃঙ্খলার চরম উদাহরণ পেশ করে মাথা ঠান্ডা রেখে সব ধরনের পরিস্থিতি উত্তরণের চেষ্টা করতে হবে। কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দিয়ে কারও সাথে কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়িত হওয়া যাবে না। সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে শৃঙ্খলার সাথে মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি নগরবাসীকে সাথে নিয়ে দলে দলে মহাসমাবেশে যোগদান করার জন্য উদাত্ত্ব আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

অনুমতি দেয়া হোক বা না হোক

শাপলা চত্বরেই সমাবেশ করবে জামায়াত ইসলামী

আপডেট সময় ১১:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৩

আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার দুপুর ২টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহাসমাবেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন উপকমিটির এক বৈঠক আজ বুধবার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, মহানগর উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুর রহমান মুসা, মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় নেতা ড. হেলাল উদ্দিন, মাহফুজুর রহমান, নাজিমুদ্দিন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, দেলাওয়ার হোসেন, আতাউর রহমান সরকার, আব্দুস সালাম, মুহিবুল্লাহ, নাসির উদ্দীন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, দেশের সংবিধান মোতাবেক আমরা সব কর্মসূচি পালনের অধিকার রাখি। ক্ষমতাসীনদের দীর্ঘ পনেরো বছরের দুঃশাসনে দেশের জনগণ চরম অতিষ্ঠ। চাল, ডাল, তৈল, আলু, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ, গ্যাস সবকিছুর মূল্য আকাশচুম্বি এবং তা মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। দেশের মানুষের জীবনযাত্রা আজ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় আমরা জনগণের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছি।

তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার দুপুর ২টায় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এই মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমরা বিশৃংখলা চাই না, শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করছি। মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব এটা সচেতন দেশবাসী মনে করে।

তিনি আরও বলেন, ভোট ডাকাতি, দখলদারি, গুম, খুন, দুঃশাসন এবং বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে দেশ গভীর সংকটে পড়েছে। দেশের মানুষ এই ব্যর্থ সরকারের কবল থেকে মুক্তি চায়, জনগণ জুলুমবাজদের কবল থেকে মুক্তি চায়। আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে আজ দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। শুধু তাই নয়, গোটা বিশ্ব আজ আওয়ামী অপতৎপরতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে।

বুলবুল বলেন, রাজপথের কর্মসূচিতে সরকারের বাধা আছে কিনা- তাও এখন আন্তর্জাতিক বিশ্ব জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। আজ সবাই বুঝে গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকারের অধীনে এ দেশে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কেয়ারটেকার সরকারের মাধ্যমে দেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই। আওয়ামী লীগের ব্যর্থতায় আজকে পুরো জাতির উপরে স্যাংশন, ভিসা নীতি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জার।

তিনি বলেন, জনগণের মুক্তির জন্য, দেশকে অপশাসন ও দুঃশাসন হতে মুক্ত করতে আগামী ২৮ অক্টোবর শনিবার জামায়াতের মহাসমাবেশ। যে শাপলা চত্বরে মুসলিম তৌহিদী জনতার রক্ত মিশে আছে। সেই পবিত্র স্থানেই আমরা সমাবেশ করতে চাই। ফলে ইসলাম, মানবতা এবং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই সমাবেশকে একটি মাইলফলক হিসেবে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাতে হবে। ধৈর্য এবং শৃঙ্খলার চরম উদাহরণ পেশ করে মাথা ঠান্ডা রেখে সব ধরনের পরিস্থিতি উত্তরণের চেষ্টা করতে হবে। কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দিয়ে কারও সাথে কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়িত হওয়া যাবে না। সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করে শৃঙ্খলার সাথে মহাসমাবেশ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি নগরবাসীকে সাথে নিয়ে দলে দলে মহাসমাবেশে যোগদান করার জন্য উদাত্ত্ব আহ্বান জানান।