ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
স্যাংশনের ভয় দেখিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই

পিটার হাসকে বহিষ্কার করা দরকার: মানিক

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ০৬:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৩
  • / ১২৮ বার পড়া হয়েছে

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, একটি দেশ আরেকটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। আমরা যদি সেই হিসেবে চিন্তা করি, তাহলে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস সাহেবকে বহিষ্কার করা প্রয়োজন। কারণ, উনি (পিটার) নগ্নভাবে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে চলেছেন। কোনোভাবেই ভালোটা মানতে রাজি নন, তিনি যেন এই দেশের মালিক, এই দেশের হর্তাকর্তা, বিধাতা।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দেশ আমার সিদ্ধান্ত আমার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরাম এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মানিক আরও বলেন, বিএনপির এক নেতা বলেই ফেলেছেন, পিটার ডি হাস যেন এই দেশের অবতার। কত বড় একটি নিম্নমানের কথা। যারা আমাদের দেশে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। তারা কিন্তু এই কথার একবারও প্রতিবাদ করেননি। এই কথা থেকে একটি বিষয় পরিস্কার। বিএনপি, জামায়াত দেশের মানুষের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। কারণ, জনগণ তাদের ত্যাজ্য করেছে। এই তারা আজকে চেষ্টা করেছে বিদেশি প্রভুদের সহায়তায় ক্ষমতায় যেতে। যে চেষ্টা পলাশীর যুদ্ধের আগেই করেছিলো মীরজাফর।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলামের বাবা রাজাকার হিসাবে দালাল আইনে বন্দী ছিল। আমি আন্দাজে কথা বলছি না, তার পিতা চখামিয়া রাজাকার। তার নামই হচ্ছে, চখামিয়া রাজাকার। রিজভীর পিতা আগস্ট মাসে মুক্তিযুদ্ধ যখন তুঙ্গে, তখন পাকিস্তান পুলিশে যোগদান করেছিলেন। সুতরাং তাদের সবারই রক্তে রয়েছে রাজাকারের উপাদান। এই অপশক্তি এখন চেষ্টা করছে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করতে। তবে নিশ্চিত, তারা তা করতে পারবেন না।

সভায় সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেখানে গেছে সেখানেই ক্ষতি হয়েছে। সেই সুযোগ আমরা কখনও দিবো না। স্যাংশনের ভয় দেখিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই। আমরা ভয় পাইনি।

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ডেইলি সানের প্রধান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত, তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা ভূঁইয়া প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক খায়রুল আলম।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্যাংশনের ভয় দেখিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই

পিটার হাসকে বহিষ্কার করা দরকার: মানিক

আপডেট সময় ০৬:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৩

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, একটি দেশ আরেকটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। আমরা যদি সেই হিসেবে চিন্তা করি, তাহলে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস সাহেবকে বহিষ্কার করা প্রয়োজন। কারণ, উনি (পিটার) নগ্নভাবে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে চলেছেন। কোনোভাবেই ভালোটা মানতে রাজি নন, তিনি যেন এই দেশের মালিক, এই দেশের হর্তাকর্তা, বিধাতা।

শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দেশ আমার সিদ্ধান্ত আমার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা সাংবাদিক ফোরাম এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মানিক আরও বলেন, বিএনপির এক নেতা বলেই ফেলেছেন, পিটার ডি হাস যেন এই দেশের অবতার। কত বড় একটি নিম্নমানের কথা। যারা আমাদের দেশে ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। তারা কিন্তু এই কথার একবারও প্রতিবাদ করেননি। এই কথা থেকে একটি বিষয় পরিস্কার। বিএনপি, জামায়াত দেশের মানুষের উপর ভরসা রাখতে পারছে না। কারণ, জনগণ তাদের ত্যাজ্য করেছে। এই তারা আজকে চেষ্টা করেছে বিদেশি প্রভুদের সহায়তায় ক্ষমতায় যেতে। যে চেষ্টা পলাশীর যুদ্ধের আগেই করেছিলো মীরজাফর।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলামের বাবা রাজাকার হিসাবে দালাল আইনে বন্দী ছিল। আমি আন্দাজে কথা বলছি না, তার পিতা চখামিয়া রাজাকার। তার নামই হচ্ছে, চখামিয়া রাজাকার। রিজভীর পিতা আগস্ট মাসে মুক্তিযুদ্ধ যখন তুঙ্গে, তখন পাকিস্তান পুলিশে যোগদান করেছিলেন। সুতরাং তাদের সবারই রক্তে রয়েছে রাজাকারের উপাদান। এই অপশক্তি এখন চেষ্টা করছে দেশে ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টি করতে। তবে নিশ্চিত, তারা তা করতে পারবেন না।

সভায় সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেখানে গেছে সেখানেই ক্ষতি হয়েছে। সেই সুযোগ আমরা কখনও দিবো না। স্যাংশনের ভয় দেখিয়ে আমাদের কোনো লাভ নেই। আমরা ভয় পাইনি।

প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন ডেইলি সানের প্রধান সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত, তথ্য কমিশনার শহীদুল আলম ঝিনুক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বদরুদ্দোজা ভূঁইয়া প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম সম্পাদক খায়রুল আলম।