ঢাকা ০৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০২:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / ২৮ বার পড়া হয়েছে

মানিকগঞ্জের ঘিওরে স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই সন্তানের জননীকে (২৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনায় রোববার (৭ জুন) ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা। তার আগের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্থানীয় এক ইটভাটা শ্রমিকের সঙ্গে মুঠোফোনে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে দুই মাস আগে নিজের দুই সন্তানকে মায়ের বাড়িতে রেখে ওই শ্রমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন তিনি।

বিয়ের দুই মাস পর, শনিবার (৬ জুন) ওই নারী তার নতুন স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে পরিবার ও স্থানীয় কিছু মানুষ তাদের এই বিয়ে মেনে নেয়নি। উল্টো স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের লোকজন ওই নবদম্পতিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে ওই দম্পতি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে রওনা হন। পথিমধ্যে ঘিওরের বাসুদেববাড়ী এলাকায় পৌঁছালে রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা ওই নারীর নতুন স্বামীকে জোরপূর্বক বেঁধে ফেলে এবং তাকে আটকে রেখেই ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পরদিন রোববার সকালে ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় একজনকে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

ঘিওর থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আলামত সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

আপডেট সময় ০২:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

মানিকগঞ্জের ঘিওরে স্বামীকে বেঁধে রেখে দুই সন্তানের জননীকে (২৮) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একদল দুর্বৃত্তের বিরুদ্ধে।

এই ঘটনায় রোববার (৭ জুন) ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই নারী জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা। তার আগের স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে স্থানীয় এক ইটভাটা শ্রমিকের সঙ্গে মুঠোফোনে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জের ধরে দুই মাস আগে নিজের দুই সন্তানকে মায়ের বাড়িতে রেখে ওই শ্রমিকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন তিনি।

বিয়ের দুই মাস পর, শনিবার (৬ জুন) ওই নারী তার নতুন স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে পরিবার ও স্থানীয় কিছু মানুষ তাদের এই বিয়ে মেনে নেয়নি। উল্টো স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের লোকজন ওই নবদম্পতিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে ওই দম্পতি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে রওনা হন। পথিমধ্যে ঘিওরের বাসুদেববাড়ী এলাকায় পৌঁছালে রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের গতিরোধ করে। দুর্বৃত্তরা ওই নারীর নতুন স্বামীকে জোরপূর্বক বেঁধে ফেলে এবং তাকে আটকে রেখেই ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনার পরদিন রোববার সকালে ভুক্তভোগী গৃহবধূ নিজেই বাদী হয়ে ঘিওর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় একজনকে প্রধান আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকে সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

ঘিওর থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আলামত সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে এবং জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।