ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুণগত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতকরণে হাবিপ্রবিতে পেডাগজি প্রশিক্ষণ

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / ২৫ বার পড়া হয়েছে

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি)-এর উদ্যোগে বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষকদের অংশগ্রহণে ‘Pedagogy Training’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামুল্যা।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইআরটির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন আইআরটির উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান মণ্ডল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশের মানবসম্পদ অত্যন্ত মেধাবী এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাদের সক্ষমতার স্বীকৃতি রয়েছে। তিনি গবেষণা ও পেশাগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একজন শিক্ষক যত বেশি গবেষণায় সম্পৃক্ত হবেন, ততই তার জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষকদের নিজস্ব একাডেমিক পরিচয় ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও পেডাগজির গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক নানা সমস্যার সমাধানে গবেষণার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামুল্যা বলেন, নতুন শিক্ষকদের দক্ষ, গবেষণামুখী ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা কার্যক্রমে ইউজিসির আরও উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে দেশে পিএইচডি পর্যায়ে আরও সুযোগ-সুবিধা ও বৃত্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে মেধাবীরা দেশে থেকেই শিক্ষা ও গবেষণায় অবদান রাখতে পারেন। পাশাপাশি নতুন শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রকাশনাসহ বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়েও তিনি ইউজিসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কর্মশালার সফলতা কামনা করে উপাচার্য আয়োজক প্রতিষ্ঠান আইআরটির সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৩৩ জন প্রভাষক অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

গুণগত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতকরণে হাবিপ্রবিতে পেডাগজি প্রশিক্ষণ

আপডেট সময় ০৯:৫৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (আইআরটি)-এর উদ্যোগে বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষকদের অংশগ্রহণে ‘Pedagogy Training’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামুল্যা।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইআরটির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন আইআরটির উপ-পরিচালক মো. শাহজাহান মণ্ডল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, দেশের মানবসম্পদ অত্যন্ত মেধাবী এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাদের সক্ষমতার স্বীকৃতি রয়েছে। তিনি গবেষণা ও পেশাগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, একজন শিক্ষক যত বেশি গবেষণায় সম্পৃক্ত হবেন, ততই তার জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষকদের নিজস্ব একাডেমিক পরিচয় ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও পেডাগজির গুরুত্ব অপরিসীম।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক নানা সমস্যার সমাধানে গবেষণার কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামুল্যা বলেন, নতুন শিক্ষকদের দক্ষ, গবেষণামুখী ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং গবেষণা কার্যক্রমে ইউজিসির আরও উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

উপাচার্য বলেন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে দেশে পিএইচডি পর্যায়ে আরও সুযোগ-সুবিধা ও বৃত্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন, যাতে মেধাবীরা দেশে থেকেই শিক্ষা ও গবেষণায় অবদান রাখতে পারেন। পাশাপাশি নতুন শিক্ষকদের গবেষণা ও প্রকাশনাসহ বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধির বিষয়েও তিনি ইউজিসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কর্মশালার সফলতা কামনা করে উপাচার্য আয়োজক প্রতিষ্ঠান আইআরটির সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৩৩ জন প্রভাষক অংশগ্রহণ করেন।