হাবিপ্রবিতে ১৪ শিক্ষককে অব্যাহতি, আরও ৪ জনকে নোটিশ
- আপডেট সময় ০৫:৪১:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
- / ২৮ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষাছুটি শেষে নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে যোগ না দেওয়ায় দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৪ জন শিক্ষককে চাকরি থেকে অব্যাহতি (Dismissal from Service) দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের Discipline and Appeal Rules-2004-এর ৪.১ (f) ধারা অনুযায়ী তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষাছুটিকালীন প্রাপ্ত বেতন সুদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা ইতোমধ্যে ওই অর্থ পরিশোধ করেছেন। তবে যেসব শিক্ষক এখনো ছুটিকালীন বেতন ফেরত দেননি, তাদের সঙ্গে প্রশাসনের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
এছাড়া আরও চারজন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের অডিট আপত্তিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আর্থিক পাওনা এবং ছুটিকালীন বেতন ৩০ দিনের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় Public Demand Recovery (PDR) আইনের আওতায় পাওনা অর্থ আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে হাবিপ্রবিতে মোট প্রায় ৩৯২ জন শিক্ষক কর্মরত। এর মধ্যে ৬৯ জন উচ্চশিক্ষা বা প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষাছুটিতে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫২ জন বিদেশে এবং ১৭ জন দেশে অবস্থান করছেন। শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অন্তত ১৮ জন শিক্ষক কর্মস্থলে ফিরে আসেননি।
দেশে না ফেরার কারণ হিসেবে অনেক শিক্ষক বিদেশে স্থায়ী চাকরি গ্রহণ বা গবেষণায় যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে দেশে ফেরেননি—এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আবু হাসান বলেন, “বর্তমান প্রশাসন শিক্ষাছুটি শেষে শিক্ষকদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। যারা নিয়ম অনুযায়ী দেশে ফিরে আসেননি, তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমরা চাই শিক্ষকরা বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশে ফিরে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেই জ্ঞান ছড়িয়ে দিন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান আরও সমৃদ্ধ হবে।”






















