ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিজস্ব সুইমিংপুল নেই, তবুও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবি

যবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৭:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ৩০ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুল সুবিধা ছাড়াই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটারপোলো (ছাত্রী) প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। এছাড়াও ছাত্রদের প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অধিকার করে যবিপ্রবি।

২৬ ও ২৭ জুন দুইদিন ব্যাপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতায় যবিপ্রবির শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নারী সাঁতারু মিতু আক্তার মেয়েদের ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোক, ৫০ মিটার বাটারফ্লাই, ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক ও ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল—এই চারটি ইভেন্টেই স্বর্ণপদক জিতেছেন। একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী আক্তার চারটি ইভেন্টেই রৌপ্যপদক অর্জন করেছেন। চারটি স্বর্ণপদক জয়ের পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় ছাত্রী বিভাগের সেরা সাঁতারু নির্বাচিত হয়েছেন মিতু আক্তার। অপরদিকে ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল সাঁতারে তৃতীয় হয়েছেন যবিপ্রবি শিক্ষার্থী মামুন আলী।

মিতু আক্তার বলেন, “সাঁতারে মেয়েদের চারটি ইভেন্টেই প্রথম স্থান অর্জন এবং প্রতিযোগিতার সেরা সাঁতারু হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উপস্থাপন করতে চাই এই চেষ্টা থাকবে। তবে একটি হতাশার দিক আমাদের ভার্সিটিতে কোনো সুইমিংপুল নেই। আমরা বারবার শুনে এসেছি যে আমরা একটি মানসম্মত সুইমিংপুল পাব কিন্তু তা এখনো কার্যকর হয়নি। এসব কারণে কিছু হতাশার জায়গা থেকেই যায়।”

শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের উপ-পরিচালক ও সাঁতারু দলের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ হেল কাফি বলেন, “যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো নিজস্ব সুইমিংপুল নেই, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় এই সাফল্য এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক সুইমিংপুল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

উল্লেখ্য, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে নিজস্ব কোনো সুইমিংপুল না থাকায় শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের সাঁতার ক্লাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের পুকুর ব্যবহার করা হয়। এছাড়া উক্ত বিভাগের জাতীয় পর্যায়ের সাঁতারুরা তাদের অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় সুইমিংপুলের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিজস্ব সুইমিংপুল নেই, তবুও আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতারে চ্যাম্পিয়ন যবিপ্রবি

আপডেট সময় ০৭:৪০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুল সুবিধা ছাড়াই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার ও ওয়াটারপোলো (ছাত্রী) প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)। এছাড়াও ছাত্রদের প্রতিযোগিতায় ৩য় স্থান অধিকার করে যবিপ্রবি।

২৬ ও ২৭ জুন দুইদিন ব্যাপি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়া এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দেশের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতায় যবিপ্রবির শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নারী সাঁতারু মিতু আক্তার মেয়েদের ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোক, ৫০ মিটার বাটারফ্লাই, ৫০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক ও ৫০ মিটার ফ্রিস্টাইল—এই চারটি ইভেন্টেই স্বর্ণপদক জিতেছেন। একই বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শ্রাবন্তী আক্তার চারটি ইভেন্টেই রৌপ্যপদক অর্জন করেছেন। চারটি স্বর্ণপদক জয়ের পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় ছাত্রী বিভাগের সেরা সাঁতারু নির্বাচিত হয়েছেন মিতু আক্তার। অপরদিকে ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল সাঁতারে তৃতীয় হয়েছেন যবিপ্রবি শিক্ষার্থী মামুন আলী।

মিতু আক্তার বলেন, “সাঁতারে মেয়েদের চারটি ইভেন্টেই প্রথম স্থান অর্জন এবং প্রতিযোগিতার সেরা সাঁতারু হতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও উপস্থাপন করতে চাই এই চেষ্টা থাকবে। তবে একটি হতাশার দিক আমাদের ভার্সিটিতে কোনো সুইমিংপুল নেই। আমরা বারবার শুনে এসেছি যে আমরা একটি মানসম্মত সুইমিংপুল পাব কিন্তু তা এখনো কার্যকর হয়নি। এসব কারণে কিছু হতাশার জায়গা থেকেই যায়।”

শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের উপ-পরিচালক ও সাঁতারু দলের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ হেল কাফি বলেন, “যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো নিজস্ব সুইমিংপুল নেই, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে—এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় এই সাফল্য এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক সুইমিংপুল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা আরও ভালো প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য আরও সাফল্য অর্জন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

উল্লেখ্য, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে নিজস্ব কোনো সুইমিংপুল না থাকায় শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের সাঁতার ক্লাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের পুকুর ব্যবহার করা হয়। এছাড়া উক্ত বিভাগের জাতীয় পর্যায়ের সাঁতারুরা তাদের অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় সুইমিংপুলের সুবিধা থেকেও বঞ্চিত।