ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি হলেন কর্মকর্তা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০৪:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় সরকারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় গাছের চারার সঙ্গে বিতরণ করা জৈব সার নিয়ে বিতর্কের জেরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম সই করা এক অফিস আদেশে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। আজ সোমবার (২৯ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা।

অফিস আদেশে বলা হয়, জনস্বার্থে রতন চন্দ্র বর্মনকে আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় ২ জুলাই থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।

গত ২৪ জুন কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কামারখন্দ উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষক ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। প্রতিটি চারার সঙ্গে ৩০ কেজি করে জৈব সারও দেওয়া হয়। তবে কয়েকজন কৃষক বস্তা খুলে সারে ময়লা-আবর্জনাযুক্ত উপাদান দেখতে পাওয়ার অভিযোগ তোলেন।

এ ঘটনার পর অনেক কৃষক সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সারের নামে বর্জ্য বিতরণ, বদলি হলেন কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৪:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় সরকারি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় গাছের চারার সঙ্গে বিতরণ করা জৈব সার নিয়ে বিতর্কের জেরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন চন্দ্র বর্মনকে খাগড়াছড়ির লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম সই করা এক অফিস আদেশে এ বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়। আজ সোমবার (২৯ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এ কে এম মনজুরে মাওলা।

অফিস আদেশে বলা হয়, জনস্বার্থে রতন চন্দ্র বর্মনকে আগামী ১ জুলাইয়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় ২ জুলাই থেকে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।

গত ২৪ জুন কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় কামারখন্দ উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষক ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়। প্রতিটি চারার সঙ্গে ৩০ কেজি করে জৈব সারও দেওয়া হয়। তবে কয়েকজন কৃষক বস্তা খুলে সারে ময়লা-আবর্জনাযুক্ত উপাদান দেখতে পাওয়ার অভিযোগ তোলেন।

এ ঘটনার পর অনেক কৃষক সার না নিয়ে শুধু গাছের চারা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।