ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ স্বীকৃতি দিল কুবি

কুবি প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৮:০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৩৫ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ১১ জুলাই ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি চলাকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রতিরোধ দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ দিবস ১১ জুলাই’ শীর্ষক স্মরণসভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ জুলাইকে ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, “শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১১ জুলাইকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সিন্ডিকেট। ওইদিন কোন কোন ধরনের কর্মসূচী হবে কীভাবে সম্পন্ন হবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ স্বীকৃতি দিল কুবি

আপডেট সময় ০৮:০৮:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১০তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ১১ জুলাই ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি চলাকালে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের গুলি, টিয়ারশেল ও লাঠিচার্জে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রতিরোধ দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনে নতুন গতি সঞ্চার করে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি ছড়িয়ে পড়ে।

এর আগে, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ দিবস ১১ জুলাই’ শীর্ষক স্মরণসভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ১১ জুলাইকে ‘জুলাই আন্দোলনের প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ নুরুল করিম বলেন, “শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১১ জুলাইকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সিন্ডিকেট। ওইদিন কোন কোন ধরনের কর্মসূচী হবে কীভাবে সম্পন্ন হবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবে।”