ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শরীয়তপুরে ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

নিউজ ডেস্ক:-
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩
  • / ১১০ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলির’ প্রভাবে শরীয়তপুর জেলার ছয়টি উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছেন।

শুক্রবার রাত থেকে ঝড় থেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত লাইনের মেরামত কাজ এখনো চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জি এম) মো. আলতাফ হোসেন।

শনিবার রাত কিংবা রোববার সকালের দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত দুই দিনের টানা বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা, নড়িয়া, গোসাইর হাট, ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও সদর উপজেলায় ১২৫০০ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। তাতে উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জিএম আলতাফ হোসেন জানা যায়, মিধিলির কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছ ও গাছের ডাল পরে বিদ্যুতের তার বিছিন্ন হয়ে যায়। মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। এখনো প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হয়নি। শনিবার রাতে ও রোববার সকালে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. রবীআহ নুর আহাম্মেদ বলেন, আমাদের ১২৫০০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বের করতে একটু সময় লাগবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শরীয়তপুরে ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন

আপডেট সময় ০৭:৩৪:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলির’ প্রভাবে শরীয়তপুর জেলার ছয়টি উপজেলার পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছেন।

শুক্রবার রাত থেকে ঝড় থেমে গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত লাইনের মেরামত কাজ এখনো চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন শরীয়তপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জি এম) মো. আলতাফ হোসেন।

শনিবার রাত কিংবা রোববার সকালের দিকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গত দুই দিনের টানা বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে শরীয়তপুর জেলার জাজিরা, নড়িয়া, গোসাইর হাট, ডামুড্যা, ভেদরগঞ্জ ও সদর উপজেলায় ১২৫০০ হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে। তাতে উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জিএম আলতাফ হোসেন জানা যায়, মিধিলির কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছ ও গাছের ডাল পরে বিদ্যুতের তার বিছিন্ন হয়ে যায়। মেরামতের কাজ চলমান রয়েছে। এখনো প্রায় ৩০ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হয়নি। শনিবার রাতে ও রোববার সকালে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. রবীআহ নুর আহাম্মেদ বলেন, আমাদের ১২৫০০ হেক্টর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কি পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বের করতে একটু সময় লাগবে।