ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজি-ডিম-মাছ-মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২১ বার পড়া হয়েছে

নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেশকিছু সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিম, মাছ, মুরগি, আটা, ময়দা ও ভোজ্যতেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচ বেড়েই চলেছে।

গতকাল শুক্রবার নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরানীগঞ্জের বউবাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র লক্ষ করা গেছে। নয়াবাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগে খোলা আটার দাম ছিল ৪৫ টাকা এবং ময়দা ছিল ৫৫-৬০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট ময়দা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫০ কেজির ময়দার বস্তার দাম ২,৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৮০০ টাকা হয়েছে।

ময়দার দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে বনরুটি ও অন্যান্য বেকারিপণ্যে। গত শনিবার থেকে রুটি, কেক ও বিস্কুটের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও গত মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তা আপাতত স্থগিত রাখতে সম্মত হন ব্যবসায়ীরা। তবে বাজারে আগের দামে সব পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বেকারিপণ্যের ক্রেতারা।

সবজির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ছুটির দিনে চাহিদা বেশি থাকায় রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল ৭০ থেকে ৮০, লম্বা বেগুন ৮০ থেকে ৯০, গোল বেগুন ১১০ থেকে ১৪০, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১৮০ থেকে ২০০ এবং পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষা ও অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহ ও পরিবহনে সমস্যা হয়েছে। এতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং শীতকালীন সবজি বাজারে এলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তারা। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহানাজ বেগম বলেন, বৃষ্টির কারণে বর্তমানে সবজি সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দাম কিছুটা বাড়তি। তবে নতুন সবজি বাজারে এলে কয়েক দিনের মধ্যে দাম কমতে পারে।

কেরানীগঞ্জের বউবাজারের সবজি বিক্রেতারাও একই কথা বলেছেন। তবে কেরানীগঞ্জ মডেল টাউনের বাসিন্দা ক্রেতা সুমি আক্তার বলেন, সব জিনিসপত্রের দামই তো বাড়তির দিকে। এতে আয় না বাড়লেও ব্যয় বেড়েছে। আগে ২০০ টাকার সবজি কিনলে তিন-চার দিন চলে যেত, এখন ৫০০ টাকার সবজি কিনেও কুলাচ্ছে না।

ডিমের বাজারে তুলনামূলক বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছয় মাস আগে ডজনপ্রতি দাম ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ এ সময়ে ডিমের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। বিক্রেতাদের মতে, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমের কারণে অনেক খামারে ডিম উৎপাদন কমেছে। একই সঙ্গে মুরগির সংখ্যা কমে যাওয়ায় সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। দেড় মাস আগে এর দাম ছিল প্রায় ২০ টাকা কম। সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ এবং হাইব্রিড মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে গরুর মাংসের দাম ৮০০ এবং খাসির মাংসের দাম ১,২৫০ টাকা কেজিতে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, মাছবাজারেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। বর্তমানে রুই ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতলা ৪২০ থেকে ৪৪০, পাঙাশ ২৫০ থেকে ৩০০ এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, চিংড়ি ১,০০০ থেকে ১,৩০০, টেংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু দেশি মাছের দাম কেজিতে ১,০০০ টাকারও বেশি। তবে ইলিশের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আকারভেদে রাজধানীর বাজারে ইলিশ ৮৫০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশ মাছের সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দামে প্রভাব পড়েছে।

এদিকে, কর-শুল্ক কমানোর সুফলও খুচরা বাজারে পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে চাল, আটা, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলসহ ৬৩টি নিত্যপণ্যে কর কমানো হয়। কিন্তু ভোক্তারা বলছেন, এতে বাজারে প্রত্যাশিত স্বস্তি আসেনি; বরং কিছু পণ্যের দাম আরো বেড়েছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি এসএম নাজের হোসাইন আমার দেশকে বলেন, কর কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম কমেনি। বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

টিসিবির তথ্যানুযায়ী, এক বছরে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১০.৪৩ শতাংশ, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৬ থেকে ৯ শতাংশ, বিভিন্ন মসলার দাম ১০ থেকে ১৬ শতাংশ বেড়েছে। চিনির দামেও নতুন অঙ্ক যোগ হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ক্রেতাদের অভিযোগ, একই টাকায় আগের তুলনায় অনেক কম পণ্য কেনা যাচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আয় না বাড়লেও চাল, ডাল, মাছ, ডিম ও সবজির দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো এবং করছাড়ের সুফল ভোক্তার কাছে পৌঁছানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সবজি-ডিম-মাছ-মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের

আপডেট সময় ০১:৪৬:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেশকিছু সবজির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিম, মাছ, মুরগি, আটা, ময়দা ও ভোজ্যতেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচ বেড়েই চলেছে।

গতকাল শুক্রবার নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরানীগঞ্জের বউবাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র লক্ষ করা গেছে। নয়াবাজারে দেখা যায়, প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগে খোলা আটার দাম ছিল ৪৫ টাকা এবং ময়দা ছিল ৫৫-৬০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট ময়দা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫০ কেজির ময়দার বস্তার দাম ২,৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৮০০ টাকা হয়েছে।

ময়দার দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে বনরুটি ও অন্যান্য বেকারিপণ্যে। গত শনিবার থেকে রুটি, কেক ও বিস্কুটের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও গত মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তা আপাতত স্থগিত রাখতে সম্মত হন ব্যবসায়ীরা। তবে বাজারে আগের দামে সব পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বেকারিপণ্যের ক্রেতারা।

সবজির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ছুটির দিনে চাহিদা বেশি থাকায় রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটোল ৭০ থেকে ৮০, লম্বা বেগুন ৮০ থেকে ৯০, গোল বেগুন ১১০ থেকে ১৪০, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শিম ১৮০ থেকে ২০০ এবং পেঁপে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বর্ষা ও অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহ ও পরিবহনে সমস্যা হয়েছে। এতে সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে এবং শীতকালীন সবজি বাজারে এলে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করছেন তারা। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহানাজ বেগম বলেন, বৃষ্টির কারণে বর্তমানে সবজি সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দাম কিছুটা বাড়তি। তবে নতুন সবজি বাজারে এলে কয়েক দিনের মধ্যে দাম কমতে পারে।

কেরানীগঞ্জের বউবাজারের সবজি বিক্রেতারাও একই কথা বলেছেন। তবে কেরানীগঞ্জ মডেল টাউনের বাসিন্দা ক্রেতা সুমি আক্তার বলেন, সব জিনিসপত্রের দামই তো বাড়তির দিকে। এতে আয় না বাড়লেও ব্যয় বেড়েছে। আগে ২০০ টাকার সবজি কিনলে তিন-চার দিন চলে যেত, এখন ৫০০ টাকার সবজি কিনেও কুলাচ্ছে না।

ডিমের বাজারে তুলনামূলক বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছয় মাস আগে ডজনপ্রতি দাম ছিল ১১০ থেকে ১২০ টাকা। অর্থাৎ এ সময়ে ডিমের দাম বেড়েছে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। বিক্রেতাদের মতে, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও গরমের কারণে অনেক খামারে ডিম উৎপাদন কমেছে। একই সঙ্গে মুরগির সংখ্যা কমে যাওয়ায় সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। দেড় মাস আগে এর দাম ছিল প্রায় ২০ টাকা কম। সোনালি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৬০ এবং হাইব্রিড মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে গরুর মাংসের দাম ৮০০ এবং খাসির মাংসের দাম ১,২৫০ টাকা কেজিতে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।

এদিকে, মাছবাজারেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। বর্তমানে রুই ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা, কাতলা ৪২০ থেকে ৪৪০, পাঙাশ ২৫০ থেকে ৩০০ এবং পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, চিংড়ি ১,০০০ থেকে ১,৩০০, টেংরা ৭০০, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছু দেশি মাছের দাম কেজিতে ১,০০০ টাকারও বেশি। তবে ইলিশের দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আকারভেদে রাজধানীর বাজারে ইলিশ ৮৫০ টাকা থেকে ২,০০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশ মাছের সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দামে প্রভাব পড়েছে।

এদিকে, কর-শুল্ক কমানোর সুফলও খুচরা বাজারে পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে চাল, আটা, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলসহ ৬৩টি নিত্যপণ্যে কর কমানো হয়। কিন্তু ভোক্তারা বলছেন, এতে বাজারে প্রত্যাশিত স্বস্তি আসেনি; বরং কিছু পণ্যের দাম আরো বেড়েছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি এসএম নাজের হোসাইন আমার দেশকে বলেন, কর কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম কমেনি। বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

টিসিবির তথ্যানুযায়ী, এক বছরে খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১০.৪৩ শতাংশ, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৬ থেকে ৯ শতাংশ, বিভিন্ন মসলার দাম ১০ থেকে ১৬ শতাংশ বেড়েছে। চিনির দামেও নতুন অঙ্ক যোগ হয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

ক্রেতাদের অভিযোগ, একই টাকায় আগের তুলনায় অনেক কম পণ্য কেনা যাচ্ছে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আয় না বাড়লেও চাল, ডাল, মাছ, ডিম ও সবজির দাম বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানো এবং করছাড়ের সুফল ভোক্তার কাছে পৌঁছানো জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।