ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইয়াবাকাণ্ডে যুবদল নেতা বহিষ্কার

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ০১:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে অনৈতিক ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সেলিম হোসেন নামে এক যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি হেমনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড (শিমলাপাড়া) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জসিম ও সদস্য সচিব বদিউজ্জামান রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সেলিম হোসেনকে যুবদলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শিমলাপাড়া গ্রামে ২০ পিস ইয়াবাসহ শরিফ (২১) নামে এক যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শরিফ হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়দের দাবি, ইয়াবা কেনার জন্য শরিফ শিমলাপাড়া গ্রামের যুবদল নেতা সেলিম হোসেনের বাড়িতে যান। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে দেন।

আটকের পর শরিফ দাবি করেন, তিনি সেলিম হোসেনের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকায় ২০ পিস ইয়াবা কিনেছেন। এর আগেও তিনি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনবার ইয়াবা কিনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেলিম হোসেন। ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ওরা টাকা দিয়ে ইয়াবা কিনে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি ভালো মানুষ, ওরা আমার কিছুই করতে পারবে না।’

পুলিশ জানায়, আটক শরিফের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইয়াবাকাণ্ডে যুবদল নেতা বহিষ্কার

আপডেট সময় ০১:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে অনৈতিক ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সেলিম হোসেন নামে এক যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি হেমনগর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড (শিমলাপাড়া) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জসিম ও সদস্য সচিব বদিউজ্জামান রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সেলিম হোসেনকে যুবদলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শিমলাপাড়া গ্রামে ২০ পিস ইয়াবাসহ শরিফ (২১) নামে এক যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শরিফ হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয়দের দাবি, ইয়াবা কেনার জন্য শরিফ শিমলাপাড়া গ্রামের যুবদল নেতা সেলিম হোসেনের বাড়িতে যান। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে দেন।

আটকের পর শরিফ দাবি করেন, তিনি সেলিম হোসেনের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকায় ২০ পিস ইয়াবা কিনেছেন। এর আগেও তিনি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনবার ইয়াবা কিনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেলিম হোসেন। ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ওরা টাকা দিয়ে ইয়াবা কিনে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি ভালো মানুষ, ওরা আমার কিছুই করতে পারবে না।’

পুলিশ জানায়, আটক শরিফের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।