ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ পণ্য উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনা

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:১৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২৩ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক ও মাদক উদ্ধার করার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে জানিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার জামায়াত আমির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন, বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন ডিআইজির মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। একই সঙ্গে বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্য (মাদক) উদ্ধার করা হয়েছে। এখান থেকেই বোঝা যায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে। দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির মহোৎসব, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

তিনি আরও লেখেন, স্বয়ং পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যাও তো রয়েছেই। এসব জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত। হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়ি থেকে নিষিদ্ধ পণ্য উদ্ধার, আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে জামায়াত আমিরের তীব্র সমালোচনা

আপডেট সময় ১০:১৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক ও মাদক উদ্ধার করার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে জানিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার জামায়াত আমির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে জামায়াত আমির লেখেন, বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন ডিআইজির মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। একই সঙ্গে বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্য (মাদক) উদ্ধার করা হয়েছে। এখান থেকেই বোঝা যায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে। দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির মহোৎসব, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

তিনি আরও লেখেন, স্বয়ং পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যাও তো রয়েছেই। এসব জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত। হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে।