মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ডের রায়, আসামীপক্ষের আইনজীবী বললেন- ‘আমি হতাশ’
- আপডেট সময় ০৪:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩৫ বার পড়া হয়েছে
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ডসহ অন্য আসামিদের সাজা ঘোষণার পর হতাশা প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন। তার কাছে রায়টি অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন বলেন, “রায় সম্পর্কে আমার কিছু বলার নেই। এ রায়টি আমার কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে এবং আমি হতাশ।”
কেন হতাশ, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কারণ ব্যাখ্যা করা যাবে না।’
রায়ে মাহবুব উল আলম হানিফকে একটি অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং দুটি অভিযোগে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর তিন আসামি কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমানকে একটি অভিযোগে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড এবং অন্য দুটি অভিযোগে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আদালত আরেকটি অভিযোগে চার আসামিকেই যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি সাজাপ্রাপ্ত সবার স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে বলা হয়েছে।
মামলার চার আসামিই পলাতক। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এম এইচ তামীম। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আমির হোসেন।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যাসহ মোট তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছিল চার আসামির বিরুদ্ধে। তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার নির্দেশ দেওয়া এবং হামলায় সরাসরি অংশ নেওয়ার অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে আনা হয়।


















