ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ডাবল সেঞ্চুরি তাওহিদ হৃদয়ের

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ২১ বার পড়া হয়েছে

জোমেল ওয়ারিক্যানের টসড আপ ডেলিভারিটা লং অনে ঠেলে দিয়েই একটা রান তুলে নিলেন। সঙ্গে সঙ্গে ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলক ছোঁয়া হয়ে গেল তাওহিদ হৃদয়ের, ইতিহাসও গড়ে ফেললেন তাতে। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে অভিষেক সেঞ্চুরিকেই রূপ দিলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে।

সেঞ্চুরির দেখা লাঞ্চের আগেই পেয়ে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার ব্যাট চওড়া হয়েছে। তবে সময়ে সময়ে রয়ে-সয়েও খেলেছেন। তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে তিনি একাই খেলেছেন ১১৮ টি ডেলিভারি। এই সময়ে তিনি রান তুলেছেন ৯০, যার ১০টি এসেছে শেষ দুই বলে। সেশনটা তিনি শেষ করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ১০ রানের দূরত্বে থেকে।

তৃতীয় সেশনে অপেক্ষাটা খুব বেশি বড় হতে দেননি হৃদয়। এই সময়ে আরও একটি চার মেরেছেন, ১৫ বল খেলে পৌঁছে গেছেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। তাতেই প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবলে রূপ দেওয়া প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার বনে গেছেন তিনি।

প্রথম সেঞ্চুরিতে সবচেয়ে বড় ইনিংসের রেকর্ডটা এতদিন ছিল মুমিনুল হকের। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ১৩ বছর পর এই রেকর্ডটি নিজের করে নেন হৃদয়, সেটাও অবশ্য দ্বিতীয় সেশনের ঘটনা।

তৃতীয় সেশনের শুরুতে এবার এমন এক কীর্তি গড়লেন, যা কখনোই দেখেনি বাংলাদেশ। এবার তার সামনে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনিংস খেলার চ্যালেঞ্জ। আর ২০টি রান করলেই তিনি গড়ে ফেলবেন বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোরের রেকর্ড। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রান করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঐতিহাসিক ডাবল সেঞ্চুরি তাওহিদ হৃদয়ের

আপডেট সময় ০৩:৪০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

জোমেল ওয়ারিক্যানের টসড আপ ডেলিভারিটা লং অনে ঠেলে দিয়েই একটা রান তুলে নিলেন। সঙ্গে সঙ্গে ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলক ছোঁয়া হয়ে গেল তাওহিদ হৃদয়ের, ইতিহাসও গড়ে ফেললেন তাতে। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে অভিষেক সেঞ্চুরিকেই রূপ দিলেন ডাবল সেঞ্চুরিতে।

সেঞ্চুরির দেখা লাঞ্চের আগেই পেয়ে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার ব্যাট চওড়া হয়েছে। তবে সময়ে সময়ে রয়ে-সয়েও খেলেছেন। তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে তিনি একাই খেলেছেন ১১৮ টি ডেলিভারি। এই সময়ে তিনি রান তুলেছেন ৯০, যার ১০টি এসেছে শেষ দুই বলে। সেশনটা তিনি শেষ করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি থেকে ১০ রানের দূরত্বে থেকে।

তৃতীয় সেশনে অপেক্ষাটা খুব বেশি বড় হতে দেননি হৃদয়। এই সময়ে আরও একটি চার মেরেছেন, ১৫ বল খেলে পৌঁছে গেছেন ডাবল সেঞ্চুরিতে। তাতেই প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবলে রূপ দেওয়া প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার বনে গেছেন তিনি।

প্রথম সেঞ্চুরিতে সবচেয়ে বড় ইনিংসের রেকর্ডটা এতদিন ছিল মুমিনুল হকের। ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৮১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। ১৩ বছর পর এই রেকর্ডটি নিজের করে নেন হৃদয়, সেটাও অবশ্য দ্বিতীয় সেশনের ঘটনা।

তৃতীয় সেশনের শুরুতে এবার এমন এক কীর্তি গড়লেন, যা কখনোই দেখেনি বাংলাদেশ। এবার তার সামনে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনিংস খেলার চ্যালেঞ্জ। আর ২০টি রান করলেই তিনি গড়ে ফেলবেন বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টেস্ট স্কোরের রেকর্ড। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২১৯ রান করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন মুশফিকুর রহিম।